পদক ও পুরষ্কার বিষয়ক সাধারন জ্ঞান ২০১০
> ২০১০ সালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার লাভ করেন : এ কে এম সামসুল হক খান (মরণোত্তর), সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও বেলাল মোহাম্মদ।
> ২০১০ সালে ব্যক্তিত্ব একুশে পদক লাভ করেন : ১৫ জন।
> ২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেন : আবদুল্লাহ গুল (তুরস্ক)।
> ২০১০ সালে বাংলা একাডেমী প্রবর্তিত প্রথম রবীন্দ্র পুরষ্কার লাভ করেন : এ.এইচ.এম নোমান খান।
> ২০০৯ সালের নজরুল পদক লাভ করেন : অধ্যাপিকা ড. রাজিয়া সুলতানা ও শিল্পী শাহিন সামাদ।
> স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ব্রিটেনের নাইট উপাধি লাভ করেন : ফজলে হাসান আবেদ।
> ২০১০ সালে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে পাইওনিয়ার ফটোগ্রাফার এওয়ার্ড লাভ করেন : ফটোসাংবাদিক রশীদ তালুকদার।
> ২০১০ সালে বাংলা একাডেমী পুরষ্কার প্রবর্তন করেছেন : রবীন্দ্র পুরষ্কার।
> ২০১০ সালে ব্যক্তিত্ব একুশে পদক লাভ করেন : ১৫ জন।
> যে বাংলাদেশী ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরষ্কার পেয়েছেন : ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শেখ হাসিনা।
> ২০০৯ সালে বাংলা একাডেমী পুরষ্কার লাভ করেন : ৬ জন।
>২০০৯ সালে কবিতায় বাংলা একাডেমী পুরষ্কার লাভ করেন যারা : কবি অরুণাভ সরকার, কবি রবিউল হুসাইন।
> ২০১০ সালে ভাষা সংগ্রামে একুশে পদক ২০১০ লাভ করেন : ডা. গোলাম মাওলা (মরণোত্তর)।
সাহিত্য,সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র বিষয়ক সাধারন জ্ঞান ২০১০
> ‘জাতির জনক’ প্রামাণ্য চিত্রের পরিচালক : আরজু খান (উল্লেখ্য, এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনলেখ্য নিয়ে নির্মিত)।
>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘গেরিলা’ এর পরিচালক : নাসিরউদ্দীন ইউসুফ (সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে)।
>কথাসাহিত্যিক এমদাদুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘সুতোয় বাঁধা প্রজাপতি’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র
>‘আত্মদান’-এর পরিচালক : শাহজাহান চৌধুরী।
> ‘বিল্ডিং সোশ্যাল বিজনেস’ গ্রন্থের লেখক : ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
> ‘একুশের যাত্রী’ : ভাষী সৈনিকদের নিয়ে তথ্যচিত্র।
> ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ’ চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী : শিল্পী হাশেম খান।
>বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ইংরেজি অনুবাদক : ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ।
>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ এর পরিচালক : মোর্শেদুল ইসলাম।
>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘লাল সবুজ’ এর পরিচালক : শহীদুল ইসলাম।
> ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর’ কোন ধরনের গ্রন্থ : মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীর কথোপকথন (প্রকাশনায় প্রথমা প্রকাশন)।
>কবি আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’ এর ইংরেজি “The Golden Kabin“-এর অবুবাদক : কবি সায়ীদ আবুবকর।
>২০০৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারে সেরা চলচ্চিত্র : চন্দ্রগ্রহণ।
> ‘মুনীর চৌধুরী ও কবর’ প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক : আকতারুল ইসলাম জিন্নাহ।
>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আমার দেশ আমার যুদ্ধ’ এর পরিচালক : গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
>২০১০ সালের ৬৩তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে ক্লাসিক বিভাগে প্রদর্শিত প্রথম বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের নাম : তিতাস একটি নদীর নাম (পরিচালনায় ঋত্বিক ঘটক)।
স্থাপত্য ও ভাস্কর্য বিষয়ক সাধারন জ্ঞান ২০১০
> ৩০ মে ২০১০ ‘স্বাধীনতাস্থম্ভ’ স্মৃতি ভাষ্কর্য উদ্বোধন করা হয় : কুলিয়ার চর, কিশোরগঞ্জ।
> ‘মরণ সাগর’ স্মৃতিসৌধ অবস্থিত : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
> ‘সূর্যমুখী ভাষ্কর্য অবস্থিত : ওসমানী উদ্যান (ঢাকা)।
> ‘চায়ের দেশে স্বাগতম’ ভাষ্কর্য অবস্থিত : শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
> বাংলা একাডেমীর মূল ভবনে ‘ভাষা আন্দোলন জাদুঘর’ উদ্ভোধন করা হয় : ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
> কক্সবাজারে অবস্থিত ‘জ’ বা ‘চোয়াল’ ভাস্কর্যের স্থপতি : রাগিব উদ্দিন আহমদ।
> ৯ মে ২০১০ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্ম প্রদর্শনের লক্ষ্যে উদ্বোধনকৃত ট্রেনের নাম : সংস্কৃতি-যাত্রা (এটি একটি চলন্ত রবীন্দ্র জাদুঘর)।
> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল প্রাঙ্গণে অবস্থিত ‘স্মৃতির জানালায় ৭১’ স্মৃতি স্থম্ভের স্থপতি/ নকশাকার : আবদুল মোতালেব।
> ২০১০ সালের মার্চে দেশের যে নদীর তলদেশে প্রাচীন স্থাপনা পাওয়া যায় : পদ্মা।
> বঙ্গবন্ধু কারাস্মৃতি জাদুঘর অবস্থিত : ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার।
> স্মৃতি অম্লান ভাষ্কর্য অবস্থিত : নীলফামারি শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে।
> নজরুল ইনষ্টিটিউট-এর দ্বিতীয় শাখা স্থাপিত হচ্ছে : ধর্মসাগর (কুমিল্লায়)। উল্লেখ্য, প্রথম শাখা স্থাপিত হয় দরিরামপুর, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ)।
> বাংলাদেশের মৎস্য জাদুঘর অবস্থিত : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
> ১১ এপ্রিল ২০১০ চট্টগ্রামের কালুরঘাটস' ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় : স্বাধীনতা কমপ্লেক্স।
গণমাধ্যম , সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সাধারন জ্ঞান ২০১০
> ৩১ মার্চ ২০১০ প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন : মোহাম্মদ জমির।
> ১৫ এপ্রিল ২০১০ দেশের ১২তম বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে যাত্রা শুরু করে টেলিভিশন : মাই টিভি।
> বাংলাদেশে আইপি টেলিফোন সার্ভিস চালু হয় : ১৬ মার্চ ২০১০।
> রাজশাহী পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়ঃ ১ আগষ্ট ২০১০ (১৭ শ্রাবণ ১৪১৭)।এ নিয়ে বাংলাদেশে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ এর সংখ্যা হলো ৪টি। অন্য ৩টি হচ্ছে- ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা।
> ইনষ্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ(ICSB) প্রতিষ্ঠা করা হয় : ১৬ জুন ২০১০ (২ আষাঢ় ১৪১৭)।
> বাংলাদেশ বেটার বিজনেস ফোরাম ( BBBF) বাতিল করা হয় : ১৯ আগষ্ট ২০১০ (উল্লেখ্য, গঠন করা হয় ২৬ নভেম্বর ২০০৭)।
> বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ( Bangladesh Tourism Board) প্রতিষ্ঠা করা হয় : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১০।
> ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ নজরুল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয় : কুমিল্লায়।
> কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হয় : ১৫ এপ্রিল ২০১০ (এর সদর দপ্তর ষোলশহর, চট্টগ্রাম)।
> আদমশুমারি পরিচালনা করে যে সংস্থা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
> বাংলাদেশের ৪৫০১টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র (Union Information Service Center-UISC) উদ্বোধন করা হয় : ১১ নভেম্বর ২০১০
> জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কার্যক্রম শুরু করে : ১৫ মার্চ ২০১০ (জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ গঠন করা হয় ২৪ নভেম্বর ২০০৯)।
> ব্রিটেনভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম একাউন্টান্সি বডি ‘দি এসোসিয়েশন অব চাটার্ড সার্টিফিকেট একাউন্ট্যান্টস’ (ACCA) বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেন : ২৭ জানুয়ারি ২০১০।
> জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনষ্টিটিউট অবস্থিত : মহাখালী, ঢাকায়।
> কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয় : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০।
> ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অবস্থিত : গণকবাড়ী, সাভার, ঢাকা।
> কর্ণফুলী পানি শোধনাগার স্থাপিত হয় : পোমরা, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম এ)।
রিপোর্ট ও জরিপ বিষয়ক সাধারন জ্ঞান ২০১০
> জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার : ৫০.৫%। এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমতে, ৪০%।
> আন-র্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর তথ্যমতে, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান : ৬১তম।
> বিশ্ব জনসংখ্যঅ রিপোর্ট ২০১০ অনুসারে জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে : সপ্তম।
> বর্তমানে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান : ষষ্ঠ।
> ২০১০ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় মার্কিন ডলারে : ৭৫০ মার্কিন ডলার।
> ২০১০ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার : ৫৪.৮%।
> বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাষ্টার সার্ভে (এমআইসিএস)-২০০৯ অনুসারে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির দিক দিয়ে শীর্ষ জেলা : মেহেরপুর।
> ২০১০ সালের গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান : ৮৭তম।
> ২০১০ সালের ‘জেলা অর্থনৈতিক সুশাসন’ রিপোর্ট-জরিপ সূচকে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর : জেলা।
> বির্শ্ব প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদন ২০১০-২০১১’ এ বাংলাদেশের অবস্থান : ১০৭তম।
> MDG- অগ্রগতি প্রতিবেদন ২০০৯ অনুসারে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার : ৩৮.৭% শতাংশ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন