রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১০


জনপ্রিয় ইমেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াহু! meme (মীমী) নামে মাইক্রো ব্লগিং চালু করেছে। মূল কথা হচ্ছে কিছুদিন আগে ইয়াহু! মীমী পর্তুগিজ এবং স্প্যনিশ ভাষাতে অবমুক্ত হয় এবং সমপ্রতি ইংরেজী ভাষাতে অবমুক্ত হলো। এখন দেখার বিষয় ইয়াহু! এর এই সেবা টুয়িটারের (www.twitter.com) বা টাম্বল্‌র (www.tumblr.com) এর জন্য কতটা শক্ত প্রতিদন্দ্বী হতে পারে। টুয়িটারের মত এখানেও স্ট্যাটাস পোস্ট করা যাবে আর সাথে বাড়তি হিসাবে থাকছে ছবি, অডিও এবং ভিডিও যোগ করার ব্যবস্থা। ছবির ক্ষেত্রে কম্পিউটার থেকে আপলোড বা ওয়েবসাইটে লিংক, অডিও এর ক্ষেত্রে এমপিথ্রি এর লিংক এবং ভিডিও এর ক্ষেত্রে YouTube বা Vimeo এর লিংক ব্যবহার করা যাবে।
মীমী ব্যবহারে জন্য ইয়াহুর একাউন্ট থাকতে হবে। মোবাইল এবং উভয় ক্ষেত্রে http://meme.yahoo.com সাইটে গিয়ে ব্যবহার করা যাবে তবে মোবাইলের জন্য আলাদা সংস্করণ হচ্ছে http://m.yahoo.com/w/meme। প্রথমে উপরোক্ত সাইটে গিয়ে Start Now ক্লিক করে Yes, I am a Yahoo! User করুন এবং ইয়াহু! একাউন্ট দ্বারা লগইন করুন। এরপরে প্রোফাইলে ছবি, শিরোনাম এবং ওয়েব ঠিকানা যোগ করতে পারবেন।

শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১০

তৈরী করুন ক্যাসপারস্কি’র রেসকিউ ডিক্স

কম্পিউটারের ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি রেসকিউ ডিক্স বেশ কাজে দেয়। প্রায় সকল এন্টিভাইরাসেরই রেসকিউ ডিক্স পাওয়া যায়। জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস ক্যাসপারস্কি’র রেসকিউ (আপডেটেড) ডিক্সের আইএসও ফাইল অনলাইনে পাওয়া যায়। ক্যাসপারস্কি’র রেসকিউ ডিক্সের আইএসও ফাইল http://rescuedisk.kaspersky-labs.com/rescuedisk/updatable থেকে ডাউনলোড করে সিডি/ডিভিডিতে রাইট করে ব্যবহার করতে পারবেন।
ক্যাসপারস্কি’র রেসকিউ ডিক্সের আইএসও ফাইলকে বুটেবল ইউএসবি বানাতে প্রয়োজন হবে অন্তত ১ গিগাবাইটের ইউএসবি ড্রাইভ এবং rescue2usb টুলস। উপরোক্ত লিংক থেকে rescue2usb টুলসটি ডাউনলোড করে নিন। এবার rescue2usb টুলসটি চালু করে Browse বাটনে ক্লিক করে রেসকিউ ডিক্সের আইএসও ফাইলটি নির্বাচন করুন। এরপরে USB Medium এর ড্রপডাউন থেকে ইউএসবি ডিক্সটি নির্বাচন করে START বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ইউএসবি ডিক্সটি বুটেবল রেসকিউ ডিক্স হিসাবে তৈরী হবে।

শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০১০

পাসওয়ার্ড দেখার সফটওয়্যার

বিভিন্ন সফটওয়্যারে বা অনলাইনে আমরা যে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি তা স্টার (*) বা ● হিসাবে দেখা যায়। ফলে আপনার টাইপ করা পাসওয়ার্ডের লেখা (টেক্সট) দেখা যায় না। কোন কারণে আপনি যদি পাসওয়ার্ড দেখতে চান তাহলে পাসওয়ার্ড ভিউয়ার সফটওয়্যারের সাহায্যে দেখতে পারেন। ১১৩ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি http://www.itsamples.com/software/pwv.html সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এবার জিপ ফাইলটি আনজিপ করে PwViewer রান করে হাতের উপরে মাউস ধরে উপরের টারগেটটি যেকোন পাসওয়ার্ডের উপরে নিয়ে গেলে পাসওয়ার্ডটির লেখা (টেক্সট) দেখাবে।

পিসি উইজার্ডের মাধ্যমে জেনে নিন কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য

আপনার কম্পিউটারের র‌্যাম কত বা রেমের বাস স্পিড কত, তা খুজে বেড় করতে পারবেন পিসি উইজার্ড ২০০৮ সফটওয়্যারের সাহায্যে। এই সফটওয়্যারের সাহায়্যে কম্পিউটারে যুক্ত থাকা সমস্ত হার্ডওয়্যারের (প্রসেসরের, রে‌ম, মাদারবোর্ড, এজিপি ইত্যাদি) পারফরমেন্স এবং প্রসেসরের, রে‌মের ক্যাশ কত তা দেখা যাবে। এছাড়াও সিস্টেম এবং সফটওয়্যারের সকল ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে। মোট কথা আপনার কম্পিউটারের যত ধরনের তথ্য জানার প্রয়োজন তা এই সফটওয়্যার থেকে জানা যাবে। ২.০ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি www.cpuid.com থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করার পরে তা কপি করে পোর্টেবল হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে।

ফায়ারফক্সের গতি বাড়িয়ে নিন

জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে নতুন নতুন বিভিন্ন বৈশিষ্ট যোগ করার ব্যবস্থা। মুক্ত এবং ফ্রি এই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে ম্যানুয়ালী কিছু কনফিগার করে নিতে পারেন। এজন্য এড্রেসবারে about:config লিখে এন্টার করুন, তাহলে ফায়ারফক্স কনফিগারেশন আসবে।
এখন network.http.pipelining এর মান true দিন (Preference এর উপরে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করলেই false থেকে true হবে)। একই ভাবে network.http.proxy.pipelining, network.dns.disableIPv6 এবং plugin.expose_full_path এর মান true নির্ধারণ করুন। এছাড়াও network.http.pipelining.maxrequests এর মান ৪ এর পরিবর্তে ৮ দিন।
এবার nglayout.initialpaint.delay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০। Preference তৈরী করতে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে New এ ক্লিক করুন এবং ডান থেকে String/integer/boolean নির্বাচন করুন, এরপরে Preference এর নাম লিখে Ok করুন এবং পরবর্তি উইন্ডোতে ভ্যালু লিখে বা নির্বাচন করে Ok করুন।
একই ভাবে content.notify.backoffcount নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ৫, ui.submenuDelay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০, content.max.tokenizing.time নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 2250000, content.notify.interval নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 750000, browser.cache.memory.capacity নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 65536|
এবার content.interrupt.parsing এবং content.notify.ontimer নামে নতুন বুলিয়েন Preference তৈরী করুন এবং মান true দিন। ব্যাস এবার দেখুন ফায়ারফক্সের গতি আগের তুলনায় বেড়েছে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোল্ডার এবং ডেক্সটপ শেয়ার করা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড় বড় ফাইল শেয়ার করা বেশ ঝামেলার। কাউকে বড় কোন ফাইল পাঠাতে চাইলে বিভিন্ন ফ্রি হোষ্টিং সাইটে আগে আপলোড করতে হয় এবং ডাউলোডের লিংক দিতে হয়। কিন্তু আপনি জিব্রিজ দ্বারা সহজেই আপনার কম্পিউটারের ফোল্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার দিতে পারবেন। ফলে আপনাকে কষ্ট করে বড় বড় ফাইল আপলোড করতে হবে না। প্রাপক অনেকটা পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মতো আপনার কম্পিউটারে থেকে ফোল্ডার বা ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবে। এজন্য উভয়কে জিমেইল একাউন্ট এবং জিব্রিজ সফটওয়্যারটি থাকতে হবে। ২.০২ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যাটি www.gbridge.com থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এবার সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে জিমেইল আইডি দ্বারা জিব্রিজ লগইন করুন। কোন জিমেইল ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রণ করতে চাইলে Invite Friend বাটনে ক্লিক করে জিমেইল ব্যবহাকারীদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এরপরে কোন জিমেইল ব্যবহাকারী অনলাইনে থাকলে তা বোঝা যাবে। কারো সাথে চ্যাটিং করতে চাইলে উক্ত আইডির উপরে মাউস দ্বারা ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে স্বাভাবিকভাবে চ্যাটিং করতে পারবেন।
ফোল্ডার শেয়ার দেওয়া: আপনার কম্পিউটারের যেকোন ফোল্ডার আপনি নির্দিষ্ট কোন ইউজারকে বা সবাইকে শেয়ার দিতে পারেন। এজন্য Create SecureShare বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে ফোল্ডার শেয়ার দিতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। আপনি যদি নির্দিষ্ট কিছু ইউজারকে শেয়ার দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারগুলো নির্বাচন করুন। আর যদি সেভ থাকা সকল ইউজারদের শেয়ার দিতে চান তাহলে Allowed চেক করুন। আর যদি ভবিষ্যতে যুক্ত হবে এমন ইউজারসহ সকলকে শেয়ার দিতে চান তাহলে Allow all friends (include future new friends) নির্বাচন করুন। এরপরে Ok করুন এবং পরবর্তী ম্যাসেজেও Ok করুন। পূর্বে যদি কোন ইউজারকে নির্বাচিত করে থাকেন তাহলে তাদেরকে উক্ত ফোল্ডার দেখার আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা এমন ম্যাসেজ আসবে। যেখানে Yes Send Now করলে উক্ত ইউজারেররা নোটিফিকেশন পাবে, আর No করলে স্বাভাবিকভাবে শেয়ার সক্রিয় হবে এবং শেয়ার করা ফোল্ডারটি একটি ওয়েব লিংক হিসাবে ডিফল্ড ব্রাউজারে খুলবে। এখন যদি নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার করা ফোল্ডারের লিংকটি দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারের উপরে ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Share Link বাটনে ক্লিক করুন। এখানে উপরের মূল পেজ বা নিচের শেয়ার করা ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করলে তা চ্যাটিং এর ম্যাসেজ হিসাবে লিংকটি পৌছে যাবে। আপনার লিংকটি পেয়ে উক্ত ইউজার ইচ্ছামত শেয়ার করা ফোল্ডারের তথ্য দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারবে।
ডেক্সটপ শেয়ার দেওয়া: আপনি যদি আপনার ডেক্সটপ কোন জিব্রিজ ব্যবহারকারীতে শেয়ার পেতে চান তাহলে যার ডেক্সটপ দেখতে চান তার আইডির চ্যাটিংএ ম্যাসেজ পাঠান। এবার উক্ত ব্যবহারকারী চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Desktop Share Invitation এ ক্লিক করলে আপনি আমন্ত্রণ পাবেন যা একসেপ্ট করলে আপনি উক্ত ব্যবহারকারীর ডেক্সপট দেখতে পাবেন। যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পাববেন।
এছাড়াও Options থেকে নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করে দেয়া যাবে। জিব্রিজ থেকে সাইট আউট করতে LogOff মেনু থেকে Switch User or Change Login Setting এ ক্লিক করলে লগআউট হবে।

ডিপ ফ্রিজ দ্বারা সিস্টেমকে নিরাপদ রাখুন

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন বিশেষ করে কম্পিউটারে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার তারা ভাইরাস নিয়ে বেশ শংকায় থাকেন। এছাড়া একাধিক বা অনিভিজ্ঞ ব্যবহারকারী কম্পিউটার ব্যবহার করলে সিস্টেম ফাইলসহ বিভিন্ন ফাইল মুছে ফেলার সম্ভাবনাও থাকে। আর ফ্লাশ ডিস্কের দৌলতে ভাইরাসে শংকাতো আছেই। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ফ্রি বা ক্র্যাক এন্টিভাইরাস ভাইরাস রিমুভ করতে পারে না। কিন্তু আপনি যদি ডিপ ফ্রিজ সফটওয়্যার দ্বারা কোন ড্রাইভকে ফ্রিজ করে রাখেন তাহলে উক্ত ড্রাইভটি ভাইরাসে আক্রান্ত হবে না বা ফাইল ফোল্ডারও মুছবে না। কারণ ডিপ ফ্রিজ সক্রিয় থাকা অবস্থায় ফ্রিজ করা ড্রাইভে কোন পরিবর্তনই কম্পিউটার রিস্টার্ট করার পরে আর থাকে না। আপনি যদি সি (বুট) ড্রাইভটি ফ্রিজ করে রাখেন তাহলে সি ড্রাইভে কোন ফাইল মুছে গেলে, নতুন কোন কিছু ইনষ্টল করলে বা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং দেখুন সবকিছুই আগের মতই আছে। মুছে ফেলা ফাইল ফিরে এসেছে, ইনষ্টল করা প্রোগ্রাম নেই আর আক্রান্ত হওয়া ভাইরাসও নেই। এছাড়াও তৈরী হওয়া টেম্পোরারী ফাইলগুলোও থাকবে না। সুতারাং ফ্রিজ করা ড্রাইভ থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদে। এই সফটওয়্যারটি সাইবার ক্যাফে, ট্রেনিং সেন্টার এবং কম্পিউটার ল্যাবের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও নিজের কম্পিউটারে ডিপ ফ্রিজ ইনষ্টল করা থাকলে উক্ত ড্রাইভগুলো থাকবে ভাইরাস মুক্ত এবং নিরাপদ। মাত্র ৪ মেগাবাইটের ডিপ ফ্রিজ স্ট্যান্ডার্ড ৬ সফটওয়্যারটি www.faronics.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ, ম্যাক বা লিনাক্সের প্রায় সকল সংস্করণের উপযোগী। ডিপ ফ্রিজ এন্টারপ্রাইজ ৬.০ সংস্করণে আরো বেশী সুবিধা থাকলেও এই সফটওয়্যারটির জায়গা ৬৯.৭ মেগাবাইট। সুবিধাগুলো বিস্তারিত দেখতে পাবেন www.faronics.com/html/DFFeatures.asp সাইটে।
ডিপ ফ্রিজ ইনষ্টল করা: এটি ইনস্টল করার সময় আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন ড্রাইভ ঠিক না করে দেন তাহলে সকল ড্রাইভই ফ্রিজ হয়ে যাবে, কারণ সয়ংক্রিয়ভাবে সকল ড্রাইভ চেক করা থাকে। এবার আপনি যে যে ড্রাইভ ফ্রিজ করতে চান সেগুলো চেক রেখে বাকীগুলো আন চেক করুন। ইনষ্টল হবার পরে সয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে। এরপরে পাসওয়ার্ড সেট করার ডায়ালগ বক্স আসবে যেখান থেকে আপনি ডিপ ফ্রিজের পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন। চাইলে পরেও পাসওয়ার্ড দিতে বা পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনি যে ড্রাইভ ফ্রিজ করেছেন সেই ড্রাইভে কোন কিছু রাখতে, মুছতে বা ইনষ্টল করতে মোট কথা কোন পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে আগে ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় করতে হবে। পরবর্তিতে আবার ডিপ ফ্রিজ সক্রিয় করতে পারবেন। আপনি যদি ইনষ্টল করার সময় ভুলে সবগুলো ড্রাইভকে ফ্রিজ করে থাকেন তাহলে ডিপ ফ্রিজ আনইনষ্টল করে নতুন করে ইনষ্টল করলেই হবে।
ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় করা: কোন কারণে ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় করার প্রয়োজন হলে শিফট কী চেপে সিস্টেম ট্রের ডিপ ফ্রিজ আইকনের উপরে মাউস দ্বারা ডাবল ক্লিক করলে উইন্ডো খুলবে। এরপরে পাসওয়ার্ড দিয়ে Ok করুন। যদি পাসওয়ার্ড না থাকে তাহলে শুধু Ok করলেই হবে। এবার Boot Control ট্যাব থেকে Boot Thawed নির্বাচন করে Apply and Reboot বাটনে ক্লিক করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে এবং ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় হবে। আর আপনি যদি Boot Thawed on Next অপশনটি নির্বাচন করে ডানে নির্দিষ্ট সংখ্যা দেন তাহলে যত সংখ্যা লিখবেন ততবার রিস্টার্ট হবার পরে ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় হবে।
ডিপ ফ্রিজ সক্রিয় করা: ডিপ ফ্রিজ সক্রিয় করতে শিফট কী চেপে সিস্টেম ট্রের ডিপ ফ্রিজ আইকনের উপরে মাউস দ্বারা ডাবল ক্লিক করলে উইন্ডো খুলবে। এরপরে পাসওয়ার্ড দিয়ে Ok করুন। যদি পাসওয়ার্ড না থাকে তাহলে শুধু Ok করলেই হবে। এবার Boot Control ট্যাব থেকে Boot Frozen অপশনটি নির্বাচন করে Apply and Reboot বাটনে ক্লিক করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে এবং ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় হবে।
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা: আপনি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বা সেটআপ করার সময় পাসওয়ার্ড না দিয়ে থাকলে পাসওয়ার্ড দিতে ডিপ ফ্রিজ চালু করুন। এবার Password ট্যাব থেকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন বা নতুন করে দিয়ে Ok করুন।
যেভাবে আনইন্সটল করবেন: স্বাভাবিকভাবে ডিপ ফ্রিজ আনইনষ্টল করা বা মুছে ফেলা যায় না। স্টার্ট মেনুতে বা এ্যাড-রিমুভ প্রোগ্রামসে আনইনষ্টল করার কোন অপশনও নেই। ফলে অনেকেরই আনইনষ্টল করতে পারে না। ডিপ ফ্রিজ আনইনষ্টল করার জন্য প্রথমে ডিপ ফ্রিজ নিস্ক্রিয় করুন। এবার যে সফটওয়্যার দ্বারা ডিপ ফ্রিজ ইনষ্টল করেছেন সেটি রান করে Uninstall এ ক্লিক করলে ডিপ ফ্রিজ আনইনস্টল হবে।

ফ্যাট৩২ ফাইল সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা

FAT বা FAT32 সম্পর্কে আমরা কম বেশী জানি। ফাইল এ্যালোকেশন টেবিল বা ফ্যাট (FAT) এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। ফ্যাট৩২ এর কিছু সীমাবদ্ধতা হচ্ছে ৩২ গিগাবাইটের বেশী পার্টিশন তৈরী করা যাবে না, ৪ গিগাবাইটের বড় ফাইল রাখতে পারবেন না। এছাড়া আরো বিস্তারিত জানতে মাইক্রোসফটের http://support.microsoft.com/kb/314463 এই পেজটি দেখুন।

নেটওয়ার্কের কম্পিউটার খোঁজার সফটওয়্যার

আপনার কম্পিউটার যদি নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে তাহলে কোন কোন কম্পিউটার যুক্ত আছে বা এদের আইপি এড্রেস কি জানা যায় আইপি স্ক্যানার সফটওয়্যার দ্বারা। সফটপরফেক্ট নেটওয়ার্ক স্ক্যানার এমনই এক সফটওয়্যার যার দ্বারা আইপি স্ক্যান করা ছাড়াও হোস্ট নেম, ম্যাক এড্রেস, পোর্ট, টিসিপি, এসএনএমপি ইত্যাদি স্ক্যান করে। এছাড়াও উক্ত কম্পিউটারে কোন লুকায়িত শেয়ার করা ফোল্ডার থাকলে তাও দেখা যায়। সফটওয়্যারটি চালাতে এ্যাডমিনিস্ট্রিটর একাউন্টের প্রয়োজন নেই। আর পোর্টেবল হবার কারণে ইনস্টল করার ঝামেলাও নেই। সব মিলিয়ে ৬৯৫ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার এবং পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি অসাধারণ। সফটওয়্যারটি www.softperfect.com/products/networkscanner থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে নির্দিষ্ট আইপি রেঞ্জ নিয়ে Start Scanning বাটনে ক্লিক করুন তাহলে সকল তথ্য নিচে দেখাবে।

পিডিএফকে ওয়ার্ড এবং এক্সেলে রূপান্তর করা

অনেক সময় পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে রূপান্তর করার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে www.hellopdf.com সফটওয়্যার দ্বারা পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রূপান্তর করা যায়। কিন্তু লেখাগুলো বক্সে আসে ফলে বেশ অসুবিধা হয়। অনলাইন থেকে বিনামূল্যে আপনি পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে রূপান্তর করতে পারেন্‌। পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রূপান্তর করতে www.pdftoword.com এবং পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট এক্সেলে রূপান্তর করতে www.pdftoexcelonline.com এ যান। এবার Step 1 এ Browse বাটনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইলটি নির্বাচন করুন। এরপরে Step 2 এ ফরম্যাট নির্ধারণ করে Step 3 এ আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখে Convert বাটনে ক্লিক করলে কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার মেইলে ওয়ার্ড বা এক্সেলের ফাইলটি চলে যাবে।

দেখে নিন হার্ডডিক্সের বর্তমান অবস্থা

অনেক দিন ধরে হইতো কম্পিউটারের হার্ডডিক্স ব্যবহার করছেন কিন্তু হার্ডডিক্সের বর্তমান অবস্থা কি তা জানা যাবে Active Hard Disk Monitor দ্বারা। এই সফটওয়্যারটি দ্বারা হার্ডডিক্স প্রস্তুতকারক কোম্পানী, সিরিয়াল নম্বরসহ অনান্য তথ্য এবং S.M.A.R.T. (Self-Monitoring, Analysis, and Reporting Technology) জানতে পারবেন। এছাড়াও সফটওয়্যারটি দ্বারা হার্ডডিক্সের সম্পূর্ণ বা আংশিক স্ক্যানও করতে পারবেন। ১০.৩ মেগাবাইটের ফ্রি (সংস্করণের) এই সফটওয়্যারটি www.disk-monitor.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সকল সংস্করণে চলবে। এবার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং জেনে নিন আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিক্সের যাবতীয় তথ্য।

পিডিএফ ফাইলে জলছাপ দেয়া

অনেক সময় পিডিএফ ফাইলের কপিরাইটের জন্য বা অন্য কোন কারণে ফাইলের প্রতিটি পৃষ্ঠাতে ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ দেবার প্রয়োজন হয়। পিডিএফ ওয়াটারমার্ক ক্রিয়েটর সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই ডকুমেন্টের সমস্ত পৃষ্ঠাতে জলছাপ দেয়া যায়। মাত্র ৩২৬ কিলোবাইটের ফিওয়্যার, বহনযোগ্য এই সফটওয়্যারটি www.coolpdf.com/pdfwatermark.html থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Open বাটনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইলটি খুলুন। Text to stamp as watermark অংশে জলছাপ হিসাবে কি দিতে চান তা লিখুন। Angle, Font, Render Mode, Stroke Color, Horizontal Position, Vertical Position ইত্যাদি ঠিক করে Stamp Watermark & Save PDF বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এবার দেখুন প্রতি পৃষ্ঠাতে জলছাপ হয়েছে।

উইন্ডোজের ফাইল নষ্ট হলে করনিয়

অনেক সময় উইন্ডোজ এক্সপির .dll (ডাউনামিক লিংক লাইব্রেরী) বা .sys (সিস্টেম) ফাইল নষ্ট হলে অথবা মুছে গেলে উইন্ডোজ খোলে না। এসব ফাইলগুলো সাধারণত WINDOWS\system32 এবং WINDOWS\system32\drivers এর মধ্যে থাকে। সেক্ষেত্রে কম্পিউটার চালু করলে কালো পর্দায় নষ্ট হওয়ার ফাইলের নাম এবং লোকেশন দেখায় এবং উইন্ডোজ রিপিয়ার করার পরামর্শ দেয়। এমতবস্থায় ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করা বা রিপিয়ার করা ছাড়া অন্য কোন পথ থাকে না। কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে যদি উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি থাকে তাহলে নষ্ট/মুছে যাওয়া ফাইলটি পুনস্থাপন করলেই হবে। খুব সহজেই নিজে উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করতে পারবেন। উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করার পদ্ধতি পাবেন www.shamokaldarpon.com/?p=675 ঠিকানায়। এবার উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি দ্বারা কম্পিউটার চালু করুন এবং সিডি ড্রাইভ থেকে I386 ফোল্ডারে যান, যা সাধারণ উইন্ডোজ এক্সপির WINDOWS ফোল্ডার। এবার প্রয়োজনীয় ফাইল কপি করে মূল উইন্ডোজের ফোল্ডারে প্রতিস্থাপন করে রিস্টর্ট করুন। এবার দেখুন উইন্ডোজ স্বাভাবিকভাবে চালু হচ্ছে।

ওয়েবসাইট ব্লক করুন এ্যানি ওয়েবলক দ্বারা

কম্পিউটারে একাধিক ইউজার থাকলে বা অফিসের কম্পিউটার হলে অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ রাখার প্রয়োজন হয়। অনেক ভাবেই ওয়েব সাইট ব্রাউজ করা থেকে বিরত রাখা যায়। এর মধ্যে Any Weblock সফটওয়্যার দ্বারা ব্লক করা সহজ। মাত্র ৪৩৯ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.anyutils.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে পাসওয়ার্ড সেট করুন এবং Add বাটনে ক্লিক করে ওয়েবসাইট যোগ করুন। এভাবে আপনি ইচ্ছামত ওয়েবসাইট যুক্ত করতে পারবেন। সবশেষে Apply Settings বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। এবার দেখুন কোন ব্রাউজারেই ব্লক করা ওয়েবসাইট খুলছে না। এই সফটওয়্যারটি মূলত system32\drivers\etc এর hosts ফাইলটিকে সম্পাদনা করে থাকে।

লুকিয়ে রাখুন ফেসবুকের বন্ধুদের তালিকা

জনপ্রিয় সামাজিক ওয়েবসাইট ফেসবুকে প্রোফাইলে বন্ধুদের সংখ্যা এবং লিস্টে প্রদর্শিত হয়। তবে কেউ চাইলে প্রাইভেসির মাধ্যমে নিজের বন্ধুদের তালিকা অন্য বন্ধুদের বা নির্দিষ্ট কারো কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা যায়। এজন্য বন্ধুদেরকে লিস্ট করে রাখলে সুবিধা হবে কারণ লিস্টগুলোকে সহজেই তালিকাভুক্ত করা যায়।
লিস্ট তৈরী করা: ফেসবুকে লগইন করে Friends থেকে All Friends এ যান। এবার বন্ধুদের নামের ডানে Add to list এ ক্লিক করে Create New List টেক্সট বক্সে নতুন গ্রুপের নাম লিখে (আগে থেকে লিস্টের নাম না থাকলে) এন্টার করুন আর তৈরী করা লিস্টে যুক্ত করতে চাইলে লিস্টের উপরে ক্লিক করলেই হবে। এভাবে প্রত্যেক বন্ধুকে ইচ্ছামত লিস্টে যুক্ত করুন।
বন্ধুদের তালিকা প্রদর্শন না করা: এজন্য Settings>Privacy Settings এ যান। এবার Profile এ ক্লিক করে Friends এর ড্রপডাউন থেকে Customize এ ক্লিক করুন। এবার Only Friends চেক করে Except These People এর টেক্সট বক্স এ লিস্টের নাম লিখলে লিস্টটি দেখবে, লিস্টের উপরে ক্লিক করলে তা উপরের তালিকায় যোগ হবে। এভাবে আপনি যে যে লিস্টের বন্ধুকে বা লিস্ট ছাড়া কোন বন্ধুকে বন্ধুদের সংখ্যা এবং তালিকা দেখাতে না সেগুলো যোগ করে Okay করুন। এরপরে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। তাহলে উক্ত বন্ধুরা আপনার মোট বন্ধুর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে না তবে Mutual Friends এর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে।

অনলাইনে ইমেজকে টেক্সটে রূপান্তর করা

বই থেকে বা অন্য কোন উৎস থেকে স্ক্যান করা ইমেজ বা স্কিনশট ইমেজ ফাইলকে সম্পাদন উপযোগী টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করা যায় OCR (Optical Character Recognition) সফটওয়্যার দ্বারা। কিন্তু সফটওয়্যার ছাড়াও গুগল ডক্সের মাধ্যমে অনলাইনে এধরনের ইমেইজ ফাইলকে সম্পাদন উপযোগী টেক্সট ফাইলে রূপান্তর করে গুগল ডক্সে ব্যবহার করা যায়। এজন্য http://googlecodesamples.com/docs/php/ocr.php সাইটে গিয়ে সাইন ইন করে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Browse বাটনে ক্লিক করে ফাইলটি নির্বাচন করে Start OCR import বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে এটি গুগল ডক্সে সম্পাদন উপযোগী হয়ে আসবে। এখান থেকে অনলাইনে সেভ করা বা হার্ডডিক্সে সেভ করা যাবে বিভিন্ন ফরম্যাটে। ইমেজ ফাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ১০ মেগাবাইটের এবং ২৫ মেগাপিক্সেলের .jpg, .png, বা .gif ফরম্যাটের ফাইল ব্যবহার করা যাবে। তবে কম রেজুলেশনের ফাইল আপলোড করলে টেক্সটে রূপান্তর নাও হতে পারে, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে ইমেজ ফাইলটির রেজুলেশন বাড়িয়ে নেওয়া উত্তম।

অনলাইনে প্রায় অর্ধশত এন্টিভাইরাস দ্বারা ফাইল স্ক্যান করা

ফাইলের ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার স্ক্যান করার বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে। এর মধ্যে ভাইরাস টোটাল অন্যতম। ইতির্পূরে জ্যোত্তি ডট অর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে ভাইরাস টোটাল সাইটের প্রায় অর্ধশত এন্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে ক্যাসপারস্কি, এভিরা, বিট ডিফেন্ডার, ই-সেফ, মাইক্রোসফট, ম্যাকাফি, সিমেনটিক, পিসি টুলস, এভিজি, পান্ডা, এভাস্ট, কমোডো, ড. ওয়েব অন্যতম। সাইটটিতে সরাসরি ফাইল আপলোড করে স্ক্যান করা যাবে। এছাড়াও ভাইরাসটোটাল আপলোডার দ্বারা এক ক্লিকে ফাইল আপলোড করে স্ক্যান করার ব্যবস্থা আছে। ওয়েবসাইটির ঠিকানা হচ্ছে www.virustotal.com, আর www.virustotal.com/advanced.html থেকে আপলোডার ডাউনলোড করা যাবে যা সেন্টটুতেও ব্যবহার করা যাবে। তবে এই সাইটে ২০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল স্ক্যান করা যাবে। এছাড়াও ভাইরাস টোটাল সাইটটিতে ইউআরএল স্ক্যান করার ব্যবস্থা আছে।

সময় এসেছে ডিভি ২০১২ পূরণ করার

স্বপ্নের দেশে (যুক্তরাষ্ট্র) যাবার জন্য প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ডিভি ফরম পূরণ করে থাকে। ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) ২০১২-এর অধীনে এবারও আবেদন করতে হবে অনলাইনে। একমাত্র www.dvlottery.state.gov সাইট থেকে ডিভি ২০১২ পূরণ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি)’ আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৯,০০০ বাংলাদেশী যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছেন। আবেদনকারীরা চাইলে তাদের আবেদনপত্র নিজেরাই প্রস্তুত করে পাঠাতে পারেন অথবা তাদের হয়ে অন্য কেউ তা পাঠাতে পারেন। তবে দোকানে বা সাইবার ক্যাফেতে যারা ডিভি করে থাকেন তাদের বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। আবেদনপত্র সফলভাবে নিবন্ধিত হলে আপনি একটি কনফার্মেশন নোটিশ আসবে যেখানে আবেদনকারীর নাম এবং একটি বিশেষ কনফার্মেশন নম্বর থাকবে। আবেদনকারী কনফার্মেশন নোটিশটি প্রিন্ট করবেন এবং নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখবেন। ১লা মে, ২০১১ থেকে ঐ একই ওয়েবসাইটে এন্ট্রি স্ট্যাটাস চেক করা যাবে। তাতে উক্ত বিশেষ কনফার্মেশন নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আবেদনকারী আবেদনপত্রের অবস্থান জেনে নিতে পারবেন। একমাত্র এন্ট্রি স্ট্যাটাস চেক এর মাধ্যমে আবেদনকারী জানাতে পারবে তিনি ডিভি ২০১২ এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কিনা।
এছাড়াও নিয়ম মাফিক ছবি না হলে শুরুতেই আবেদন বাতিল হয়ে যাবে তাই ছবির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোন আবেদনকারী একাধিক আবেদনপত্র জমা হলে তার সকল আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে, তার পক্ষ হয়ে যেই আবেদনপত্র জমা দিক না কেন।
ডিভি ২০১২ সম্পর্কে কিছু তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতর বাৎসরিক ভিত্তিতে ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকে। এই কর্মসূচী যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ম্যান্ডেট প্রাপ্ত। ইমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনালিটি এ্যাক্ট (আইএনএ) এর ধারা ২০৩ (গ) এর বিধান অনুযায়ী এই কর্মসূচী পরিচালিত হয়ে থাকে। ১৯৯০ সালের ইমিগ্রেশন এ্যাক্ট বা অভিবাসী আইনের ধারা ১৩১ (পাবালিক আইন ১০১-৬৪৯), আইএনএর ২০৩ নম্বর ধারাটি সংশোধন করে এবং ‘ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট’ নামে এক শ্রেণীর নতুন অভিবাসী শ্রেণীর সৃষ্টি করে। যে সব দেশের মানুষ যুক্তরাষ্টে কম আছেন সে সব দেশের মানুষের জন্য বছরে ৫৫,০০০ ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) প্রদানের বিধান আইএনএর ধারা ২০৩ (গ) তে রাখা হয়েছে। বার্ষিক ডিভি কর্মসূচী সাধারণ অথচ কঠোর গ্রহণযোগ্যতার বিধান পূরণে সক্ষম ব্যক্তিদের ভিসা প্রদানের ব্যবস্থা করে। র‌্যানডম বা বিক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে কম্পিউটার পরিচালিত একটি লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের বাছাই করা হয়। এই ভিসা ছয়টি ভৌগলিক অঞ্চলে ভাগ করে দেয়া হয়। যে সব অঞ্চলের লোক যুক্তরাষ্ট্রে কম অভিবাসী হয়েছেন সে সব অঞ্চলে বেশী সংখ্যক ভিসা দেয়া হয়ে থাকে। গত পাঁচ বছরে যে সব দেশ থেকে ৫০,০০০ হাজারের বেশী লোক যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছেন সে সব দেশের বাসিন্দাদের কোন ডিভি ভিসা দেয়া হয় না। কোন একটি অঞ্চলের কোন একক দেশই এক বছরের মোট প্রদেয় ডিভি ভিসার শতকরা ৭ শতাংশের বেশী বরাদ্দ পাবে না। অর্থাৎ এ বছর সর্বোচ্চ ৩,৫০০ বাংলাদেশী এই প্রোগ্রামের আওতায় ভিসা পেতে পারেন।
ডিভি ২০১২ রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা: ডিভি ২০১২ এর লটারির আবেদন ৫ই অক্টোবর (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা), ২০১০ সালে শুরু হয়ে ৩রা নভেম্বর, ২০১০ সালের (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) পর্যন্ত ইলেকট্রনিক উপায়ে (অনলাইনে) জমা দিতে হবে। কাগজে লেখা আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিভি লটারিতে অংশ নেয়ার জন্য আবেদনকারীর অবশ্যই ডিভি কর্মসূচীর জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ডিভি লটারিতে অংশ নেয়ার জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা থাকতে হবে। এর অর্থ আবেদনকারীকে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় মিলিয়ে ১২ বছরের শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করতে হবে। অথবা গত পাঁচ বছরের মধ্যে এমন কাজের দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যে কাজ করতে কমপক্ষে দুই বছরের প্রশিক্ষণের বা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। কাজের গ্রহণযোগ্য অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য www.online.onetcenter.org সাইটটি দেখতে পারেন। ডিভি আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষার বা কাজের অভিজ্ঞতার সনদপত্র জমা দিতে হবে না। কিন্তু সনদপত্র ভিসা প্রাপ্তির পরে ইন্টারভিউ এর সময় কনস্যুলার অফিসারের কাছে অবশ্যই পেশ করতে হবে।
ডিজিটাল ছবি জমা দেয়ার নিয়ম: ডিভি এন্ট্রি ফর্মের সাথে আবেদনকারী, তার স্বামী/স্ত্রী এবং প্রত্যেক সন্তানের একটি করে ডিজিটাল ছবি অবশ্যই জমা দিতে হবে। গ্রুপ বা পরিবারের একসাথে ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না, সকলের আলাদা আলাদা ছবি জমা দিতে হবে। ডিভিতে আবেদনের সময় সকলের সঠিক ছবি জমা না দিলে ভিসা ইন্টারভিউ এর সময় মূল আবেদনকারীসহ পরিবারের সকলকে অযোগ্য বিবেচনা করা হবে। ছয় মাসের পুরাতন ছবি, সম্পাদিত, কমিপউটারের মাধ্যমে সম্পাদিত ছবি জমা দিলে তা অনলাইন আবেদনপত্র বাতিল বা ভিসা আবেদনপত্র প্রত্যাখিত হতে পারে। ছবিটি হতে হবে ডিজিটাল ক্যামেরাই তোলা অথবা স্ক্যান করা। ছবি সম্পর্কে কিছু গঠনগত ও কারিগরীগত নিয়মাবলী নিন্মরূপ:
মাথার অবস্থান: যার ছবি তোলা হচেছ তাকে ক্যামেরার দিকে সরাসরি মুখ করে ছবি তুলতে হবে। ছবি তোলার সময় মাথা উপরের দিকে তুলে বা নীচের দিকে নামিয়ে বা ডানে-বামে কাত করা চলবে না। মাথার উচ্চতা এবং মুখ এলাকার আকার (চুল সহ মাথার উপর থেকে থুথনির নীচ পর্যন্ত মাপতে হবে) ছবির মোট উচ্চতার ৫০ থেকে ৬৯ শতাংশ হতে হবে। চোখের উচ্চতা (ছবির নীচ থেকে শুরু করে চোখের লেভেল পর্যন্ত মাপতে হবে) ছবির উচ্চতার ৫৬ থেকে ৬৯ শতাংশ হতে হবে।
পটভূমি: সাদা বা হালকা রঙের পটভুমিতে ছবি তুলতে হবে। কালো অথবা খুব গাঢ় বা কোন নকশা করা বা জাঁকাল পটভূমিতে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হয় না।
ফোকাস: ছবিতে ব্যক্তির মুখ ফোকাসের মধ্যে থাকতে হবে, না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
সাজসজ্জা: গাঢ় রঙের চশমা পরে বা চেহারার মধ্যে অন্য কিছুতে মনোযোগ আকৃষ্ট করে এমন কোন কিছু পরে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হয় না।
মস্তকাবরণী এবং টুপি: ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে মাথা ঢাকা বা হ্যাট পরা ছবি গ্রহণযোগ্য; কিন্তু তা কোনক্রমেই আবেদনকারীর মুখমন্ডলের কোন অংশকে আড়াল করলে চলবে না। উপজাতীয় বা ধর্মীয় নয় এমন কোন মন্তকাবরণীসহ ছবি গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন; সামরিক বাহিনী, বিমান কোম্পানি বা অন্য কোন প্রকারের হ্যাট পরা ছবি গ্রহণ করা হয় না।
শুধুমাত্র রঙিন ছবি (24 bit color depth) গ্রহণযোগ্য। ছবিটি অবশ্যই জেপিইজি (jpeg) ফরম্যাটে হতে হবে। ছবির সর্বোচচ আকার হবে ২৪০ কিলোবাইট। ছবিটি অবশ্যই দৈর্ঘ্যে ৬০০ পিক্সেল এবং প্রস্থে ৬০০ পিক্সেল হতে হবে।
ডিজিটাল ছবির ক্ষেত্রে ২৪ বিট কালার হতে হবে (সাদা-কালো, মনোক্রোম অথবা গ্রেস্কেল ইমেজ গ্রহণ করা হয় না)। রেজুলেশন প্রতি ইঞ্চিতে ১৫০ পিক্সেল। অর্থাৎ দৈর্ঘ্যে এবং প্রস্থে উভয়ে ৪ ইঞ্চি।
স্ক্যান করা ছবির ক্ষেত্রে ছবির আকৃতি, প্রিন্টের রং, গঠনগত বৈশিষ্টের কোন পরিবর্তন করা যাবে না। স্ক্যানার রেজুলেশন প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০ ডট (ডিপিআই) রেখে ছবিটি স্ক্যান করতে হবে এবং সেটিং True color অথবা 24 bit color ফর্মে থাকতে হবে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে ডিভি’র ওয়েবসাইটে ফটো ভ্যালিডেটর লিংক (www.dvlottery.state.gov/photo.aspx) থেকে আবেদনকারীরা ছবি পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।
আবেদনপত্র: ডিভি ২০১২ লটারিতে আবেদনপত্র পাঠানোর একটিই মাত্র পথ আছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ইলেক্ট্রনিক ডাইভারসিটি ভিসা (ইডিভি) আবেদনপত্র জমা দিতে হবে যা পাওয়া যাবে www.dvlottery.state.gov এই ঠিকানায়। সকল তথ্য সম্পূর্ণ এবং সঠিক না হলে আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে।
আবেদন ফরম এর খুটিনাটি:
১. পুরো নাম: আবেদনকারীর নামের শেষাংশ/পারিবারিক নাম, প্রথম অংশ, মাঝের অংশ
২. জন্ম তারিখ: দিন, মাস, বছর
৩. লিঙ্গ: পুরুষ অথবা নারী
৪. জন্মস্থান: কোন শহরে জন্ম হয়েছে (ঐচ্ছিক)
৫. আবেদনকারী যেদেশে জন্মগ্রহণ করেছে: আবেদনকারী যেদেশে জন্মগ্রহণ করেছে সেই দেশের বর্তমানে প্রচলিত নাম উল্লেখ করতে হবে।
৬. যে যোগ্য ভৌগালিক অঞ্চলের দেশের বাসিন্দা তার নাম: আবেদনের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন দেশ যদি আবেদনকারী যে দেশের অধিবাসী, তা তার জন্মস্থানের থেকে পৃথক হয় আবেদনকারী যদি তার জন্মস্থানের থেকে পৃথক কোন দেশের অধিবাসী বলে নিজেকে দাবী করেন তাহলে তার আবেদনপত্রে এই তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। যদি কোন আবেদনকারী তার স্বামী/স্ত্রী বা পিতামাতার সূত্রে কোন দেশের অধিবাসী বলে নিজেকে দাবী করেন তাহলে তা তার আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে। (সাধারণ ভাবে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী আবেদনকারীরা Are you claiming eligibility based on the country where you were born? এ Yes রাখবে এবং If not, you must enter the country from which you are claiming eligibility. এ কোন দেশ নির্বাচন করবে না)
৭. আবেদনকারীর ছবি: পূর্ব থেকে চেক করে রাখা ছবি যুক্ত করতে হবে।
৮. পূর্ণ ঠিকানা: ঠিকানা, শহর, জেলা/দেশ/প্রদেশ/রাষ্ট্র, পোস্টাল কোড/জিপ কোড, দেশ।
৯. যে দেশে এখন বসবাস করছেন তার নাম।
১০. ফোন নম্বর: ঐচিছক
১১. ইমেইল ঠিকানা: নিজে একটি ফ্রি ইমেইলে ঠিকানা খুলে নেয়া ভালো যদি নিজের কোন ইমেইল ঠিকানা না থাকে। যদিও এই ঠিকানায় আবেদনকারীর কাছে সরকারীভাবে নির্বাচিত হবার কোন খবর যাবে না। তবে, বিজয়ী হবার পরে সমস্ত যোগাযোগ এবছর ইমেইলের মাধ্যমে করা হবে এবং আবেদনকারী যদি এন্ট্রি স্টেটাস এর মাধ্যমে আবেদন বাছাইয়ের নোটিশের ব্যাপারে জবাব দেয়, তাহলে কেনটাকি কনসুলার সেন্টার থেকে (কে.সি.সি) ইমেইলের মাধ্যমে আবেদনকারী পরবর্তী খবরা-খবর জানতে পারবেন, যেখানে বলা থাকবে যে এন্ট্রি স্টেটাস চেকে আবেদনকারীর ইমিগ্রেন্ট ভিসা সাক্ষাৎকারের ব্যাপারে বিস্তারিত দেওয়া আছে।
১২. আপনার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা যা আপনি ইতিমধ্যে অর্জন করেছেন তা কোনটি?
আবেদনকারীকে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে নিন্মোক্ত কোন সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা আবেদনকারীর জন্য প্রযোজ্য:
ক. শুধুমাত্র প্রাইমারী শিক্ষা
খ. উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা, কিন্তু ডিগ্রী নাই
গ. উচ্চ মাধ্যমিক ডিগ্রী
ঘ. কারিগরী শিক্ষা
ঙ. বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কোর্স করেছেন
চ. বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী
ছ. স্নাতক পর্যায়ে কিছু কোর্স করেছেন
জ. স্নাতকোত্তর ডিগ্রী
ঝ. ডক্টোরেট পর্যায়ে কিছু কোর্স করেছেন
ঞ. ডক্টোরেট ডিগ্রী
১৩. বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত, বিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত, বিধবা/বিপত্নিক, বৈধভাবে বিচেছদ। (ডিভি করার আগে যদি আবেদনকারী তালাকের পরিকল্পনা করেন, তারপরেও আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রী এর নাম দিতে হবে।)
১৪. সস্তানের সংখ্যা: আবেদনকারীর সন্তান, আইনগতভাবে বৈধ দত্তক সন্তান, সৎ ছেলেমেয়ে, যদিও আবেদনকারী সন্তানের পিতা/মাতার সঙ্গে আর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নন এবং এমনকি যদিও ওই স্বামী/স্ত্রী বা সন্তান বর্তমানে আবেদনকারীর সঙ্গে থাকে না বা আবেদনকারীর সঙ্গে অভিবাসী হবে না তবুও আবেদনকারীকে উক্ত সন্তানদের নাম, জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে। এই আবেদনপত্রে কেবলমাত্র সেই সব সন্তানের ছবি দিতে হবে না যারা ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অথবা সেখানকার বৈধ স্থায়ী অধিবাসী। এতদ সকল সন্তানই অবিবাহিত এবং ২১ বছরের কম বয়সী হতে হবে। বিবাহিত সন্তান বা ২১ বছর বা তদুর্ধ বয়সী সন্তান ডাইভারসিটি ভিসা পাওয়ার যোগ্য নয়। তদুপরী কিছু কিছু ক্ষেত্রে মার্কিন আইন একুশোর্ধ সন্তানদের সুবিধা দিয়ে থাকে। যদি আবেদনকারীর ডিভি আবেদনের আগে অবিবাহিত সন্তান ২১ বছরের কম হয়ে থাকে এবং আবেদনকারী ডিভি’র জন্য নির্বাচিত হন এবং আবেদনকারীর ভিসা প্রসেসিং এর সময় তার সন্তানের বয়স ২১ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তবে তাকে ২১ বছরের কম বলেই বিবেচনা করা হবে। তবে আবেদনের জন্য যোগ্য সকল সন্তানকে তালিকাভুক্ত করা না হলে ভিসার জন্য আবেদনকারী অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
১৫. স্বামী/স্ত্রী সংক্রান্ত তথ্য: নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, জন্মের শহর, জন্মের দেশ, ছবি। স্বামী/স্ত্রী সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ না করলে মূল আবেদনকারীসহ সকলে ইন্টারভিউ এর সময় ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। ভিসা আবেদন করার আগে যদি আবেদনকারী তালাকের পরিকল্পনা করেন, তারপরেও আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রী এর নাম উল্লেখ করতে হবে।
১৬. সন্তান সংক্রান্ত তথ্য: নাম, জন্মের তারিখ, লিঙ্গ, জন্মের শহর, জন্মের দেশ, ছবি । ১৪ নং উল্লেখিত সকল সন্তানদেরকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।
আবেদনকারী বাছাই: সকল যোগ্য আবেদনপত্রের মধ্য থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্বিচারে আবেদনকারী বাছাই করা হয়ে থাকে। ডিভি’র ওয়েবসাইটের এন্ট্রি স্ট্যাটাস চেক করে আবেদনকারীরা তাদের বাছাই এর ব্যাপারে জানতে পারবে ১মে ২০১১ থেকে। বিজয়ীরা ওয়েবসাইটে একটা কনফার্মেশন পৃষ্ঠা পাবেন যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশনের ভিসা ফি সংক্রান্ত বিষয়সমূহসহ পরবর্তী নিয়মাবলীগুলো দেওয়া থাকবে। শুধুমাত্র এন্ট্রি স্টেটাস চেক করে আবেদনকারীরা তাদের বাছাই এর ব্যাপারে জানতে পারবেন। যারা লটারীতে বিজয়ী হবেন তাদের ইমেইল এর মাধ্যমে জানানো হয় না। আর যারা লটারীতে বিজয়ী হবেন না, তাদেরকেও এন্ট্রি স্টেটাস চেক এর মাধ্যমে জানতে হবে।
সফল আবেদনকারীদের স্বামী/স্ত্রী এবং অবিবাহিত ও ২১ বছর বয়সের কম সন্তানেরাও প্রধান আবেদনকারীর সাথে অভিবাসন গ্রহণের জন্য অথবা পরবর্তীতে তার সাথে যোগ দেয়ার জন্য ভিসার আবেদন করতে পারবেন। ২০১১ সালের ১লা অক্টোবর থেকে ২০১২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর মধ্যে ডিভি ২০১২ কার্যক্রমের সকল ভিসা ইস্যু করতে হবে। আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরণ এবং সফল আবেদনকারী ও তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের ডিভি অবশ্যই ২০১২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যরাতের আগেই ইস্যু করতে হবে। কোন পরিস্থিতিতেই এই তারিখের পরে কোন ডাইভারসিটি ভিসা ইস্যু বা কোন প্রকার সমন্বয় করা হয় না বা মূল আবেদনকারীর সাথে যোগ দেয়ার জন্য তার পরিবারের কোন সদস্যকেও এই তারিখের পরে ভিসা দেয়া যায় না।
প্রকৃতপক্ষে একটি ভিসা লাভের জন্য নির্বিচারে বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত আবেদনকারীদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ও চাহিদামাফিক সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এই সকল শর্ত পূরণ হয়েছে কিনা তার যাচাইকার্য যথেষ্টভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে যদি আবেদনকারী এমন কোন দেশের নাগরিক হন যে দেশ সন্তাসবাদ সমর্থক দেশ হিসেবে চিহিূত।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস তাদের পক্ষ থেকে সকল প্রতারণা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে ডিভি ২০১২ লটারিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় কিছু নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ডিভি ২০১২ আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইট http://dhaka.usembassy.gov থেকে পাওয়া যাবে।

বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০১০

নিমবাজ দ্বারা চ্যাটিং করা

অনলাইনে চ্যাটিং করার জন্য প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেররই নিজস্ব ডেক্সটপ ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার রয়েছে। তারপরেও একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার দ্বারা যদি জনপ্রিয় সকল সাইটের চ্যাটিং সুবিধা পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে নিমবাজ। মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী নিমবাজ এখন কম্পিউটারেও (উইন্ডোজ এবং ম্যাক) ব্যবহার করা যাবে। এতে ইয়াহু!, গুগল (জিমেইল, গুগল এ্যাপস), উইন্ডোজ লাইভ (হটমেইল, লাইভ, এমএসএন ইত্যাদি), ফেসবুক, মাইস্পেস, এআইএম, আইসিকিউ, গাডুগাডু এবং হাইভেস একাউন্ট ব্যবহার করা যাবে। আর মোবাইলে বাড়তি হিসাবে স্কাইপ ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও এখানকার স্ট্যাটাস সকল একাউন্টের সাথে যেমন যুক্ত হবে তেমনই টুইটারে পোষ্ট করার ব্যবস্থাও আছে। নিমবাজ ব্যবহার করলে একাধিক একাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার ইনস্টল না করে নিমবাজ দ্বারাই চ্যাটিং করা যাবে। ওয়েবসাইটটির ঠিকানা www.nimbuzz.com

সহজেই ইউএসবি ডিক্স ফরম্যাট করা

বিভিন্ন কারণে ইউএসবি ডিক্স (ফ্লাশ ডিক্স) ফরম্যাট করার প্রয়োজন পরে। কিন্তু অনেক সময় ভাইরাস বা অন্য কারনে ইউএসবি ডিক্স ফরম্যাট হয় না। এমনকি উইন্ডোজের ডিক্স ম্যানেজমেন্ট বা ডস থেকেও ফরম্যাট করা যায় না। ফলে বেশ ঝামেলাই পরতে হয়। তবে হাতের কাছে যদি ‘এইচপি ইউএসবি ডিক্স স্টোরেজ ফরম্যাট টুল’ থাকে তাহলে ইউএসবি ডিক্স ফরম্যাট করা সহজ হয়ে যায়। এই টুল দ্বারা ইউএসবি ডিক্সকে ডস স্টার্টআপ ডিক্সও বানানো যাবে। সফটওয়্যারটি http://freeandfreeware.blogspot.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

পিডিএফকে ওয়ার্ড এবং এক্সেলে রূপান্তর করা

অনেক সময় পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে রূপান্তর করার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে www.hellopdf.com সফটওয়্যার দ্বারা পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রূপান্তর করা যায়। কিন্তু লেখাগুলো বক্সে আসে ফলে বেশ অসুবিধা হয়। অনলাইন থেকে বিনামূল্যে আপনি পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে রূপান্তর করতে পারেন্‌। পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রূপান্তর করতে www.pdftoword.com এবং পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট এক্সেলে রূপান্তর করতে www.pdftoexcelonline.com এ যান। এবার Step 1 এ Browse বাটনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইলটি নির্বাচন করুন। এরপরে Step 2 এ ফরম্যাট নির্ধারণ করে Step 3 এ আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখে Convert বাটনে ক্লিক করলে কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার মেইলে ওয়ার্ড বা এক্সেলের ফাইলটি চলে যাবে।

নিজেই তৈরী করুন ইনস্টলার

ধরুন আপনি ছোট কোন সফটওয়্যার তৈরী করেছেন অথবা চাচ্ছেন এক গুচ্ছ ফন্ট ইনস্টল করার ইনস্টলার তৈরী করতে। এধরনের ইনস্টলার তৈরী করতে পারবেন ফ্রি, ওপেনসোর্স NSIS (Nullsoft Scriptable Install System) সফটওয়্যার দ্বারা। মাত্র ১.৫১ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যাটি http://nsis.sourceforge.net বা http://nsis.sf.net থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Installer based on ZIP file এ ক্লিক করুন। এখন আপনি যদি ফন্ট ইনস্টল করতে চান তাহলে Open বাটনে ক্লিক করে ফন্টগুলোর ZIP ফাইল নির্বাচন করুন। এবার Installer Name, Interface, Default Folder (ফন্টের ক্ষেত্রে $WINDIR নির্বাচন করে ডানে \Fonts wjLyb), Output EXE file Compression নির্ধারণ করে Generate বাটনে ক্লিক করে ইনস্টলার তৈরী করুন। এছাড়াও স্ক্রিপ্ট দ্বারাও ইনস্টলার তৈরী করা যাবে।

ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ারে সবই চলবে

কম্পিউটারে অডিও ভিডিও গান শোনার জন্য আমরা বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার ব্যবহার করি। কিন্তু একটি প্লেয়ারে সব ফরম্যাটের গান চলে না। বিশেষ করে 3GP, MP4, MOV, FLV, ASF, AVI, WMV, WMA, AAC, AVI, MIDI, SVCD এ ধরনের ফরম্যাটগুলো সাধারণ মিডিয়া প্লেয়ারে চলে না। ফলে আলাদা আলাদা মিডিয়া প্লেয়ার ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ারে প্রায় সকল ধরনের ফরম্যাটের অডিও ভিডিও চলে। এমনকি এক ফরম্যাটের অডিও ভিডিও অন্য ফরম্যাটে কনভার্ট করাও যায়। আর সফটওয়্যারটিতে বাংলাসহ অনেকগুলো ভাষাতে ব্যবহার করা যাবে। সফটওয়্যাটির উইন্ডোজসহ অনান্য সকল অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণ রয়েছে। ফ্রি, ওপেন সোর্স এই মিডিয়া প্লেয়ারটি www.videolan.org থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

ডাউনলোডের আগেই ভাইরাস স্ক্যান করুন

ইন্টারনেট ব্যবহার করলে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সফটওয়্যার বা ডকুমেন্ট ডাউনলোড করা হয়। কিন্তু ডাউনলোড করার পরে যদি দেখা যায় সফটওয়্যার বা ডকুমেন্টটিতে ভাইরাস আছে তাহলে কেমন লাগে! কিন্তু ডাউনলোড করার আগেই যদি এসব সফটওয়্যার বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করা যেত তাও আবার ২২টি জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস দ্বারা তাহলে কেমন হতো! এজন্য যে সফটওয়্যার বা ডকুমেন্টটি ডাউনলোড করতে চান সেটির লিংক কপি করে http://scanner.novirusthanks.org এই সাইটে যান এবং Scan Web Address এ ক্লিক করে লিংকটি পেস্ট করে Submit Address এ ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ২২টি এন্টিভাইরাস দ্বারা লিংকের সফটওয়্যার বা ডকুমেন্টটি স্ক্যান করে ফলাফল দেবে। বিভিন্ন সময় দেখা যায় ওয়েবসাইটে ভাইরাস বা মালওয়্যার আছে। এখানে উক্ত সাইটের লিংক পেস্ট করে স্ক্যান করলেও ফলাফল পাওয়া যাবে। আর যদি কম্পিউটারের কোন ফাইল (সর্বোচ্চ ২০ মেগাবাইট) স্ক্যান করতে চান তাহলে Scan File থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটারের ফাইলটি নির্বাচন করে Submit File করলেই হবে।

বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন

শিরোনাম দেখে হয়তো অনেকে ভ্রু কুঁচকাচ্ছেন। ভাবছেন এটাও কি সম্ভব! জি, বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই হবে। আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসা পাওয়া যায়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে অবশ্য ফি দিতে হয়।
Travelভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন), দ: কোরিয়া (৯০ দিন), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস), আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস), ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া (৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।
এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার), জর্জিয়া (৩ মাস), লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন), নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার), সিরিয়া (১৫ দিন), পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ), মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার), টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।
ফ্লাইট, টিকিট, হোটেল ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে
http://travel.yahoo.com,
www.farecompare.com, www.airfare.com এসব ওয়েবসাইট থেকে।
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন।

ইন্টারনেট থেকে ফ্রি এসএমএস পাঠান যত খুশি

ইন্টারনেট থেকে ফ্রি এসএমএস পাঠানোর বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে। এগুলোতে বিভিন্ন রকমের সীমাবদ্ধতাও আছে। তবে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে যদি ইচ্ছামত ফ্রি এসএমএস করা যায় তাহলে কেমন হয়! এসএমএস ডট ভায়া নেট থেকে তেমনইভাবে একটু চালাকি করে ইচ্ছামত এসএমএস পাঠানো যায়।
প্রথমে http://sms.vianett.com সাইটে রেজিস্ট্রেশন করলে পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি এসএমএস ফ্রি করা যায়। রেজিস্ট্রেশন করলে ইমেইলে পাসওয়ার্ড আসে, তা দিয়ে লগইন করে Send BulkSMS এ গিয়ে এসএমএস করা যাবে। প্রাপকের কাছে প্রেরক হিসাবে সরাসরি নিজের নাম পাঠানো যাবে Sender address এ নাম লিখে।
এভাবে একাধিক ইমেইল (এক মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা যাবে) ঠিকানা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে ইচ্ছামত এসএমএস পাঠানো যাবে। কিন্তু একাধিক ইমেইল ঠিকানা খোলাতো ঝামেলার। তবে একটি জিমেইলের মাধ্যমে লক্ষাধিকবার রেজিস্ট্রেশন করা যাবে একটু চালাকি করে। সেই চালাকির পদ্ধতি পাবেন www.shamokaldarpon.com/?p=240 এখানে।

মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০১০

নেটওয়ার্কের সকল কম্পিউটার মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণ করা

কম্পিউটার ল্যাব, সাইবার ক্যাফে বা অফিসের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কে কি করছে তা মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণ করা দারুন এক সফটওয়্যার হচ্ছে ক্লাসরুম স্পাই। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরদের দারুন কাজে দেবে।
লোকাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত আছে এমন অফিসে কর্মকর্তারা, সাইবার ক্যাফের ব্যবহারকারীরা, কম্পিউটার ল্যাবের ছাত্ররা তাদের কম্পিাউটারে বসে কে কি করছে তা মনিটর করা বা রিমোটলি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ক্লাসরুম স্পাই সফটওয়্যার দ্বারা। মাইক্রোসফটের রিমোট ডেক্সটপ দ্বারা লোকাল নেটওয়ার্কের থাকা রিমোট কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিন্তু ক্লাসরুম স্পাই এর মত এতো ভালভাবে মনিটর করা যায় না। মাত্র ১১ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি www.eduiq.com বা www.classroomspy.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
Classroom Spy Pro
সফটওয়্যার ইনস্টল করা: সফটওয়্যারটির দুটি অংশের একটি হচ্ছে Console আর একটি হচ্ছে Agent| এই Console মুডটা হচ্ছে নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের জন্য আর Agent মুডটা হচ্ছে যাদের মনিটর করা সেই কম্পিউটারের জন্য।
সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার সময় Click here to install ″Classroom Spy Professional Console″ এবং Click here to install ″Classroom Spy Agent″ নামের দুটি বাটন আসবে। এখন Stealth Agent Install চেকবক্স চেক করে Click here to install ″Classroom Spy Agent″ বাটনে ক্লিক করে ইনস্টল করুন এবং পাসওয়ার্ড সেট করুন যা পরবর্তীতে এই কম্পিউটারটিকে রিমোট করার সময় প্রয়োজন হবে। শেষে Start Agent বাটনে ক্লিক করে সার্ভিস চালু করুন এবং ইনস্টল সমাপ্ত করুন।
নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কম্পিউটারে Classroom Spy Professional Console মুড ইনস্টল করে চালু করুন তাহলে প্রথমবার পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে যা পরবর্তীতে Classroom Spy Professional Console চালু করতে লাগবে।
রিমোট কম্পিউটার যোগ করা: প্রথমে Classroom Spy Professional চালু করে বাম পাশের প্যানেল থেকে Add Computer বাটনে ক্লিক করুন। এবার Remote computer (host or IP) এ রিমোট কম্পিউটারের নাম বা আইপি এড্রেস লিখুন, Nikename এ কম্পিউটারটির নাম দিন (বোঝার সুবিধার্থে) এবং Agent’s password এ উক্ত রিমোট কম্পিউটারের সেট করা পাসওয়ার্ড দিন। Advanced Options ট্যাবে গিয়ে Color Level কালার 16M নির্বাচন করে Basic Options ট্যাবে এসে Remote Assistant Configure / Installation বাটনে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Connect বাটনে করে Classroom Spy Configuration এ পুনরায় রিমোট কম্পিউটারের Agent’s password দিয়ে Ok করুন এবং সবশেষে Add Computer ডায়ালগ বক্সে Ok করুন। তাহলে Classroom Spy Professional এর Remote Screens ট্যাবে কম্পিউটারটির বর্তমান অবস্থান দেখা যাবে। এভাবে আরো রিমোট কম্পিউটার যোগ করা যাবে।
রিমোট কম্পিউটার মনিটর করা: রিমোট কম্পিউটার মনিটর করতে চাইলে Remote Screens ট্যাবে প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Zoom Remote Screen এ ক্লিক করলে বড় পর্দায় উক্ত কম্পিউটারের ডেক্সটপ দেখা যাবে। উক্ত কম্পিউটারটি কোন কাজ করতে চাইলে Enable Control চেক বক্স চেক করলে মাউস বা কীবোর্ড দ্বারা উক্ত কম্পিউটারে কাজ করা যাবে। আর প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Remote Control এ ক্লিক করলে Enable Control সক্রিয় হয়ে বড় আকারে দেখা যাবে। উক্ত ডেক্সটপটি পূর্ণ পর্দায় দেখতে Full Screen বাটনে ক্লিক করতে হবে।
রিমোট কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠানো: রিমোট কম্পিউটারের সবগুলোকে বা নির্দিষ্ট কোন কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠাতে Classroom Spy Professional এর Show Massage/Block Computer ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Mesage text এ ম্যাসেজ লিখে নিচের Show Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করুন তাহলে নির্বাচিত কম্পিউটারগুলোতে ম্যাসেজ প্রদর্শিত হবে। ম্যাসেজ উইন্ডো রিমোট কম্পিউটারের ব্যবহারকারীরা বন্ধ করতে পারবে আর নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর সকল কম্পিউটারে পাঠানো ম্যাসেজ বন্ধ করতে Hide Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
নিজের ডেক্সটপ শেয়ার করা: নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের নিজের ডেক্সটপটি শেয়ার দিতে চাইলে Classroom Spy Professional এর Share Desktop ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে যে যে রিমোট কম্পিউটারে ডেক্সটপ শেয়ার দিতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Start Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করুন। রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপকে নিস্ক্রিয় করে শুধুমাত্র আপনার ডেক্সটপকে দেখাতে বাধ্য করতে চাইলে নিচের Full Screen এবং Lock Computers চেক করুন শেয়ার দিতে পারেন। এছাড়াও Color Level থেকে কালারের মান পরিবর্তন করতে পারবেন। শেয়ার বন্ধ করতে Stop Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
ডেক্সটপ রেকর্ড করা: রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে Desktop Recorder ট্যাবে গিয়ে Record বাটনে ক্লিক করুন এবং যে যে রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Ok করুন। তাহলে ডেক্সটপ মনিটর শুরু করলে উক্ত রিমোট কম্পিউটারে সেভ হবে। রেকর্ড করা ভিডিও দেখতে চাইলে Open Network Share বাটনে ক্লিক করলে সেভ হওয়া ফোল্ডার খুলবে।
কম্পিউটার বন্ধ করা রির্স্টাট করা: রিমোট কম্পিউটার বন্ধ, রিস্টার্ট, হাইবারনেট, স্ট্যান্ডবাই, লগঅফ, স্ক্রিনসেভার চালু, স্ক্রিনসেভার বন্ধ বা লক করতে চাইলে Tools ট্যাবে যান এবং নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Ok করলেই হবে। এখান থেকে রিমোট কম্পিউটারের কমান্ড প্রম্পট, রান বা ওয়েবসাইট চালু করা যাবে।
প্রোসেস থাকা প্রোগ্রাম বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারগুলো থেকে প্রোসেস চলতে থাকা নির্দিষ্ট কোন প্রোগ্রাম বন্ধ করতে Processes ট্যাবে গিয়ে যে প্রোসেসটি বন্ধ করতে চান সেটি নির্বাচন করে Kill all with the same name বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটার নির্বাচন করে Ok করলেই হবে।
পোর্ট বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারের কোন পোর্ট বন্ধ করতে চাইলে Internet Control ট্যাবে গিয়ে বন্ধ করতে পারেন।
এছাড়াও Classroom Spy Professional Console এর Add Group of LAN Computers বাটনে ক্লিক করে নেটওয়ার্কে থাকা সকল (নির্বাচন করে) কম্পিউটারগুলোতে Classroom Spy Professional Agent ইনস্টল করা যাবে।

‘লগমিইন’ দ্বারা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য (রিমোট) কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয় সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে টিমভিউয়ার অন্যতম। তবে লগমিইন দ্বারা আরো সহজেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লগমিইন এর আসল সুবিধা হচ্ছে যিনি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ কররেন তার কম্পিউটারে সফটওয়্যার থাকার দরকার নেই, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজটি করা যায়। শুধুমাত্র ক্লাইন্ট (রিমোট) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল থাকলেই হয়। আর প্রতিবার পাসওয়ার্ডের ঝামেলাই নেই।
এজন্য www.logmein.com সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এবার ক্লাইন্ট (রিমোট) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার সময় LogMeIn Free অপশনটি নির্বাচন করে ইনস্টল করুন আর যে ইমেইল দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন সেই ইমেইল এবং লগইন পাওসয়ার্ড লগবে। ইনস্টল করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। কম্পিউটারের চলতি ইউজারে কোন পাসওয়ার্ড সেট করা না থাকলে ইনস্টল কারর সময় উক্ত কম্পিউটারের জন্য একসেস কোড দিতে হবে যার দ্বারা ভবিষ্যতে কম্পিউটারটিতে প্রবেশ কারর সময় লাগবে। লগমিইন সফটওয়্যারটি অপারেটিং সিস্টেম চালুর সাথে সাথে চালু হবে এবং সিস্টেমট্রেতে এর আইকন থাকবে। এভাবে একাধিক কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ ছাড়াও ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থণ করে।
এবার www.logmein.com লগইন করে My Computers এ ক্লিক করলে ইন্টারনেট যুক্ত থাকা কম্পিউটারগুলো অনলাইন অবস্থায় দেখাবে, ইন্টারনেট যুক্ত না থাকলে অফলাইন অবস্থায় থাকবে। এখন যে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে চাই সেই কম্পিউটারের উপরে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের লোকাল ইউজার এবং পাসওয়ার্ড অথবা কম্পিউটার একসেস কোড দিয়ে কম্পিউটারে প্রবেশ করুন। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের পাশাপশি উক্ত কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর সাথে চ্যাটিং করা যাবে।

‘লগমিইন’ দ্বারা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য (রিমোট) কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয় সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে টিমভিউয়ার অন্যতম। তবে লগমিইন দ্বারা আরো সহজেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লগমিইন এর আসল সুবিধা হচ্ছে যিনি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ কররেন তার কম্পিউটারে সফটওয়্যার থাকার দরকার নেই, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজটি করা যায়। শুধুমাত্র ক্লাইন্ট (রিমোট) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল থাকলেই হয়। আর প্রতিবার পাসওয়ার্ডের ঝামেলাই নেই।
এজন্য www.logmein.com সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এবার ক্লাইন্ট (রিমোট) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার সময় LogMeIn Free অপশনটি নির্বাচন করে ইনস্টল করুন আর যে ইমেইল দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন সেই ইমেইল এবং লগইন পাওসয়ার্ড লগবে। ইনস্টল করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। কম্পিউটারের চলতি ইউজারে কোন পাসওয়ার্ড সেট করা না থাকলে ইনস্টল কারর সময় উক্ত কম্পিউটারের জন্য একসেস কোড দিতে হবে যার দ্বারা ভবিষ্যতে কম্পিউটারটিতে প্রবেশ কারর সময় লাগবে। লগমিইন সফটওয়্যারটি অপারেটিং সিস্টেম চালুর সাথে সাথে চালু হবে এবং সিস্টেমট্রেতে এর আইকন থাকবে। এভাবে একাধিক কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ ছাড়াও ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থণ করে।
এবার www.logmein.com লগইন করে My Computers এ ক্লিক করলে ইন্টারনেট যুক্ত থাকা কম্পিউটারগুলো অনলাইন অবস্থায় দেখাবে, ইন্টারনেট যুক্ত না থাকলে অফলাইন অবস্থায় থাকবে। এখন যে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে চাই সেই কম্পিউটারের উপরে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের লোকাল ইউজার এবং পাসওয়ার্ড অথবা কম্পিউটার একসেস কোড দিয়ে কম্পিউটারে প্রবেশ করুন। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের পাশাপশি উক্ত কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর সাথে চ্যাটিং করা যাবে।

অনলাইনে একসাথে ২১টি এন্টিভাইরাসে ফাইল স্ক্যান করা

বিভিন্ন এন্টিভাইরাস ওয়েবসাইটে অনলাইনেই ভাইরাস স্ক্যান করার ব্যবস্থা আছে। তবে একটি সাইটে যদি জনপ্রিয় ২১টি এন্টিভাইরাস দ্বারা ফাইল স্ক্যান করা যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই একটি ম্যালওয়্যার স্ক্যান করার ওয়েব সাইট হচ্ছে জ্যোত্তি ডট অর্গ। এই ম্যালওয়্যার স্ক্যান সাইটে বিনামূল্যে ফাইল স্ক্যান করা যাবে। তবে এখানে ১৫ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল এখানে স্ক্যান করার ব্যবস্থা আছে। সাইটটির ২১টি এন্টিভাইরাসের মধ্যে ক্যাসপারস্কি, এভিরা, বিট ডিফেন্ডার, এভিজি, পান্ডা, এভাস্ট, ড. ওয়েব অন্যতম। সাইটির ঠিকানা www.jotti.org।

শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০১০

বিশ্বের জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে আপনার ছবি

বিশ্বের জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে যদি আপনার ছবি ছাপানো হয় তাহলে কেমন লাগবে আপনারসত্যি না হলেও এমন ম্যাগাজিন কভার বানানো যায় একটি ওয়েবসাইট থেকে খুবই সহজেএমন কিছু ওয়েব সাইটের
ঠিকানা দেয়া হলো :
www.paparazzied.com
www.covervision.com
www.magofun.com
www.oncoverpage.com
www.fakemagazines.com
www.yourcover.com
www.mypictureonmagazine.com
www.mycoverpics.com
www.mypicstyle.com
www.peoplist.com
www.magmypic.com
http://magazinecovers.funphotobox.com|

নিজেই বানান ক্যালকুলেটর

হিসাব নিকাশ করতে গেলে ক্যালকুলেটর লাগেই।আর সে ক্যালকুলেটরটি যদি নিজের বানানো হয় তাহলে কেমন হয় ?আসুন জেনে নিই কিভাবে ক্যালকুলেটর বানানো যায়।উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলে নোটপ্যাডের সাহায্যে নিজেই ক্যালকুলেটর
বানাতে পারেন।এজন্য start/run এ গিয়ে notepad লিখে enter চেপে নোটপ্যাড
খুলুন।এখন নিচের কোডটি হুবহ নোটপ্যাডে লিখুন অথবা কপি করুন-
@echo off
color 4A
title MY CALCULATOR
:loop
cls
echo created by khaled sohag
echo _
echo email:mail2sohag@gmail.com
echo web:www.khaledsohag.blogspot.com
echo.
echo My Calculator
echo -----------------------------------------------
echo * = MULTIPLY
echo + = ADD
echo - = SUBTRACT
echo 2 = SQUARED
echo / = DIVIDE
echo After an equation, type CLEAR to clear the screen of your equations, type KEEP to leave them there, or type EXIT to leave.
:noclear
set /p UDefine=
set /a UDefine=%UDefine%
echo.
echo =
echo.
echo %UDefine%
echo KEEP, CLEAR, OR EXIT?
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==KEEP echo. && goto noclear
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
:misspell
echo.
echo -----------------------------------------------
echo You misspelled your command. Please try again (make sure you are typing in all caps LIKE THIS).
echo Commands:
echo CLEAR Clear all previous equations and continue calculating.
echo KEEP Keep all previous equations and continue calculating.
echo EXIT Leave your calculating session
echo Enter in a command now.
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
if %clearexitkeep%==KEEP goto noclear
goto misspell
এখন file/save as এ গিয়ে save as type হিসেবে all files নির্বাচন করে my calculator.bat নামে এটি সেভ করুন।খেয়াল করুন, my calculator নামে একটি নতুন
ফাইল তৈরী হয়েছে।দুই ক্লীক দিয়ে my calculator ফাইলটিতে ঢুকুন এবং হিসাব নিকাশের
কাজে এটি ব্যবহার করুন।

শনিবার, ১০ জুলাই, ২০১০

ফ্রি কল করুন

ফ্রী কল ও এসএমএস করুন বিশ্বের যেকোন দেশে
Posted by KHALED MAHMUD KHAN at 12:35 PM 0 comments
ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে call এবং sms করার অনেক ওয়েব সাইট আছে।এমন একটি সাইট হচ্ছে www.dcalling.com। এখান থেকে আপনি বিনামূল্যে এসএমএস এবং কল করতে পারবেন। এজন্য register for free -এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। তাহলে আপনার মেইলে একটি একটিভিশন পাঠানো হবে। এখন ঐ লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট একটিভ করুন এবং লগইন করুন।
এখন মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করার জন্য SMS মেনু থেকে SMS এ ক্লিক করুন।এখন আপনার মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে Verification -এ ক্লিক করুন। এবার CALLER ID অংশে আপনার মোবাইল নম্বর (দেশের কোড ছাড়া) লিখে ADD NEW CALLERID -এ ক্লিক করুন। এরপরে VERIFY NOW বাটনে ক্লিক করে CALL ME NOW বাটনে ক্লিক করলেই আপনার মোবাইলে একটি কল আসবে।সবশেষে প্রদর্শিত ভেরিফিকেশন কোড টাইপ করে ভেরিফিকেশন সমম্পন্ন করুন।
এবার এসএমএস করতে SMS মেনু থেকে SMS এ ক্লিক করুন এবং SMS option: এ Free SMS নির্বাচন করে এসএমএস করুন। এভাবে আপনি প্রতিদিন ৫ টি করে sms send করতে পারবেন।
আর কল করার জন্য TELEPHONE মেনু থেকে WEB-CALLBACK এ ক্লিক করে ৮ মিনিট কল করুন বিশ্বের যেকোন প্রান্তে।

Thursday, April 29, 2010
windows xpতে দিন Windows7 এর sound Effect
Posted by KHALED MAHMUD KHAN at 11:50 AM 0 comments
Windows7 এর sound আপনার ভালো লাগে কিন্তু আপনি ব্যবহার করছেন এক্সপি।ইচ্ছে করলে windows xpতেই আপনি 7 এর সাউন্ড আনতে পারেন। এজন্য আপনার লাগবে Windows7 এর Sound Pack।মাত্র ২.১১ মেগার এই sound pack এখান থেকে ডাওনলোড করে ইনস্টল করুন- http://tsr-pr.deviantart.com/art/Windows-7-build-7000-Sounds-110898545 অথবা -http://downloads.ziddu.com/downloadfile/9555755/Original_Windows_7_Sounds.exe.html

Speed Up Internet Browsing
Posted by KHALED MAHMUD KHAN at 11:48 AM 0 comments
When you connect to a web site your computer sends information back and forth. Some of this information deals with resolving the site name to an IP address, the stuff that TCP/IP really deals with, not words. This is DNS information and is used so that you will not need to ask for the site location each and every time you visit the site. Although Windows XP and Windows XP have a pretty efficient DNS cache, you can increase its overall performance by increasing its size.
You can do this with the registry entries below:
Windows Registry Editor Version 5.00

[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\Dnscache\Parameters]
"CacheHashTableBucketSize"=dword:00000001
"CacheHashTableSize"=dword:00000180
"MaxCacheEntryTtlLimit"=dword:0000fa00
"MaxSOACacheEntryTtlLimit"=dword:0000012d
Make a new text file and rename it to dnscache.reg. Then copy and paste the above into it and save it. Merge it into the registry

ভিসতার মত করুন উইন্ডোজ এক্সপিকে
Posted by KHALED MAHMUD KHAN at 11:46 AM 0 comments
উইন্ডোজ এক্সপিতে ইচ্ছে করলে আপনি ভিসতার চেহারা আনতে পারেন। এক্সপিকে ভিসতার রুপ দিতে VistaMizer সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে হবে আপনার। ২২ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি www.public.sytes.net/hoefs/windows/vistamizer.php ওয়েব সাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন।এটি ইনষ্টল করলে উইন্ডোজ এক্সপির প্রায় ৪০০টির (আইকন, গ্রাফিক্স এবং অনান্য সিস্টেম ফাইল) মত ফাইল পরিবর্তন করবে। এর ফলে উইন্ডোজ ভিসতার অনেক ফিচারই পাবেন এক্সপিতে।
অনান্য ডাউনেলোড লিংক:
www.soft32.com/download_205350.html
http://vistamizer.uptodown.com/en

কয়েক মিনিটে ইনস্টল করুন উইন্ডোজ সহ সকল application !
Posted by KHALED MAHMUD KHAN at 11:45 AM 0 comments
নানা কারনে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যায়।এর ফলে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল দিতে হয়।নতুন উইন্ডোজ দিতে আর অন্যান্য application চালু কয়েক ঘন্টা সময় লাগে। কিন্তু যদি কয়েক মিনিটেই উইন্ডোজসহ সকল software ইনষ্টল করা যায় তাহলে আপনার ঝামেলাও কমে সময়ও বাচে।আসেন জেনে নিই কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ চালুর তরিকা-
অল্প সময়ে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে hiren boot cd লাগবে! হিরেন বুট সিডি দিয়ে আপনি কয়েক মিনিটেই উইন্ডোজসহ ঐ ড্রাইভে ইনষ্টল করা সকল software ইনষ্টল করতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজের ড্রাইভ ইমেজ করে রাখুন এবং প্রয়োজনে তা রিস্টোর করে নিন।www.hiren.info/pages/bootcd এই সাইট থেকে ৯৫-১৭৭ মেগাবাইটের ফ্রি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে সিডিতে রাইট করে নিন।
যেভাবে ইমেজ তৈরী করবেন: এখন একটি ড্রাইভে নতুন উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন এবং প্রয়োজনীয় সকল software, ড্রাইভার ইনষ্টল করুন (আগে ইনষ্টল করা থাকলেও চলবে)। এরপরে সিডি ঢুকিয়ে সিডি থেকে hiren boot cd রান করুন। এখন Hiren’s All in 1 BootCD অপশন আসবে।সেখানে কীবোর্ড দিয়ে Disk Clone Tools… select করে enter চাপুন।এরপরে Acronics Image Enterprise Server নির্বাচন করে enter চাপলে গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডো আসবে, যেখানে আপনি মাউস ব্যবহার করতে পারবেন।
এখন Create Image এ ক্লিক করে Next নির্বাচন করলে হার্ডড্রাইভগুলো দেখা যাবে। মনে করি, C: ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে, তার মানে আপনার C: ড্রাইভ ইমেজ করতে হবে। তাহলে C: ড্রাইভ নির্বাচন করে Next -এ যান এবং Information বার্তা আসলে Ok দিন। এরপর যে ড্রাইভে ইমেজটি save করতে চান সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে ফাইলের নাম দিয়ে Next করুন। এখন Create Image Mode উইন্ডো অপশন থেকে Create the full backup Image Archive অপশন নির্বাচিত রেখে Next -এ যান এবং Image Archive Splitting উইন্ডোতে Automatic অপশন রেখে Next -এ যান এবং Compression Level উইন্ডোতে এ Maximum নির্বাচন করে Next করুন। এখানে একটু বলে রাখি,এখানে ইমেজের সাইজ ছোট হবে তবে তৈরী এবং ইনষ্টল হতে একটু বেশী সময় লাগবে, আর যদি Normal নির্বাচন করেন তাহলে ইমেজ সাইজ বড় হবে এবং সময় কম লাগবে ।যাহোক, এরপরে Image Archive protection এ আপনি চাইলে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এবার Next দিয়ে Image Archive Comments Next করুন। এখন Proceed বাটনে ক্লিক করলেই ইমেজ তৈরী হবে।
ইমেজ রিস্টোর করবেন যেভাবে: উইন্ডোজ ইনষ্টল করার সময় এই ইমেজটি রিস্টোর করে দিলেই হবে। আপনি যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করবেন সেই ড্রাইভ ফরম্যাট করার জন্য hiren boot cd থেকে Partition Tool থেকে Partition Magic Pro 8.05 এর মাধ্যমে ড্রাইভটিকে ফরম্যাট করতে পারবেন।
ইমেজটি রিস্টোর করতে পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডোতে যান। এবার Restore Image এ ক্লিক করে Next -এ যান এবং Image Archive Selection উইন্ডো থেকে আপনার তৈরী করা ইমেজ নির্বাচন করে Next দিন। এখন Verify Archive Before The Restoring উইন্ডো থেকে No. I do not want to verify নির্বাচিত অপশনটি রেখে Next করে Partition or Disk to Restore থেকে Disk নির্বাচন করে Next করুন। এরপর যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করতে চান সেই ড্রাইভটি select করে Restore Partition Type উইন্ডো থেকে Partition (c ড্রাইভ হলে প্রাইমারী, আর অনান্য ড্রাইভ হলে লজিক্যাল) নির্বাচন করে Next -এ যান এবং Restore Partition Size উইন্ডো থেকে ডিফল্ট রেখে Next দিন। এবার Next Selection এ No I do not image করে Proceed বাটনে ক্লিক করলেই ড্রাইভে কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু আগে মতো restore হয়ে যাবে।ব্যস শেষ হয়ে গেলো কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনস্টল। hiren boot cd সমন্ধে আরো জানতে ভিজিট করুন- www.hirensbootcd.net

তবে আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ, আপনি যদি নতুন ব্যবহারকারী হন এবং নিজে কখনো উইন্ডোজ ইনস্টল না দিয়ে থাকেন তবে অভিজ্ঞ কারো সাহায়্য ছাড়া নিজে নিজে কৌতুহলী হয়ে উইন্ডোজ সেটআপ দেবেন না।

মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০১০

ক্যাস্পারস্কী trial versionকে বানিয়ে ফেলুন full version


ক্যাস্পারস্কী সবচেয়ে কাজের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস এটা সবাই জানেনকিন্তু এটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে যথেষ্ট পয়সা খরচ করতে হয়তবে একটু মাথা খাটালেই আপনি বিনা পয়সায় এর সব সুবিধাসহ ট্রাইল ভার্সন (৩০ দিনের জন্য) ব্যবহার করতে পারেনট্রায়াল ভার্সন মেয়াদ বৃদ্ধি করবে এ রকম একটি সফটওয়্যারের কথাই বলবোসফটওয়্যারটি http://www.mediafire.com/download.php?dnziywgnzgm থেকে ডাউনলোড করে নিন এরপর যা করতে হবে:

১. আপনার পিসির টাস্কবার থেকে ক্যাস্পারস্কী আইকনের উপর ক্লিক করে settings এ ক্লিক করুন
২. বামদিকে অপশন এ ক্লিক করে ডানদিকে Enable Self-Defense টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন
৩. ডাউনলোড করা Kaspersky Trial Re-setter এ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন
৪. Install বাটনে ক্লিক করুনকিছুক্ষণ পর কম্পিউটার রিস্টার্ট চাইবেYes বাটনে ক্লিক করে রিস্টার্ট করুন
৫. পুনরায় পিসি চালু হবার পর টাস্কবারের ক্যাস্পারস্কী আইকনে ক্লিক করুন এবং এটি License এ ক্লিক করে Active New License এ ক্লিক করুন
সবশেষে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে Activate Beta License ক্লিক করুন
আপনার কাজ শেষএভাবে ট্রায়াল ভার্সনকে ফুল ভার্সন হিসেবে ব্যবহার করুন key সংগ্রহ না করেই