সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫

Adobe CC 2015 সহ এডোবি এর সব সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন ডাউনলোড করুন

টিউন করেছেন :  |
সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আমার আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি এডোবি এর সবগুলো সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন এবং ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক সম্বলিত আমার আজকের টিউন।
কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এডোবির কোন সফটওয়্যারের নাম বলতে পারবে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কারন যারা কম্পিউটারে এক্সপার্ট এবং বিভিন্ন প্রফেশনাল কাজের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এডোবির প্রোডাক্ট ছাড়া একটা মুহুর্তও চলে না। আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এডোবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ফ্ল্যাশ এবং ইনডিজাইনের কোন বিকল্প নেই। অনুরূপ ভাবে ওয়েব ডিজাইন করতে গেলেও এডোবি ফ্ল্যাশ কিংবা ড্রিমওয়েভার প্রয়োজন। এরকম পিডিএফ ফাইল থেকে শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি প্রফেশনাল কাজের সাথে এডোবির পণ্য জড়িত। যে জিনিস যতো ভালো দাম তার একটু বেশিই। এ কারনে এডোবির এই প্রোডাক্ট গুলোর দাম প্রায় আমাদের সাধ্যের সীমার বায়রে। এ কারনে কিনে সেগুলো ব্যবহার করার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। কিন্তু এক মাসের ট্রায়াল হিসাবে সফটওয়্যারগুলো আমরা এডোবির নিজস্ব সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবো। মানুষের নাকি একটা বদ অভ্যাস আছে! সেটা হলো মানুষকে বসতে দিলে শুতে চায়। আমরাও এক্ষেত্রে একই কাজটি করবো। অর্থাৎ এডোবির নিজস্ব সাইট হতে ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করে মেডিসিন ফাইলের সাহায্যে ফুল ভার্সন করে ফেলবো। তবে আর দেরি কেন? পর্যাপ্ত ডাটা নিয়ে এখনি নেমে পড়ুন ডাউনলোডের প্রতিযোগিতায়। এবার সফটওয়্যারের দামের হিসাবে আপনাকে লাখপতি বানিয়েই ছাড়বো।

ডাউনলোড করুন এডোবির সব প্রোডাক্ট

এডোবি এর সবগুলো ভার্সনের ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক নিচে দেওয়া আছে। এখন আপনার কাজ শুধু পছন্দ মতো প্রোডাক্ট ডাউনলোড করা। ডাউনলোডের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে ডাউনলোড শুরু করুন। কারন এখানে ছোট আকারের কোন ফাইল নেই।

ডাউনলোডের পূর্বে অবশ্যই যে কাজগুলো করতে হবেঃ

এডোবির এই সবগুলো প্রোডাক্ট ডাউনলোড করবো আমরা এডোবির নিজস্ব সাইট হতে। আর একারনে আপনার অবশ্যই একটি এডোবি ফ্রি-অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হবে। অ্যাডোবি অ্যাকাউন্ট ছাড়া আপনি যদি নিচের কোন লিংক ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে access denied অথবা অন্যান্য এরর মেসেজ দেখাবে। সুতরাং কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া সফটওয়্যারগুলো ডাউনলোড করতে নিচের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
  • টেবিলের যেকোন লিংকে প্রবেশ করার আগে প্রথমে এখানে ক্লিক করুন। এটা খুবই জরুরী একটি বিষয়। এটি না করলে access denied অথবা অন্য মেসেজ দেখবেন।
  • যদি আপনাকে এডোবি আইডি দিয়ে লগইন করতে বলে, তাহলে একটু সময় নিয়ে একটি অ্যাডোবি আইডি তৈরী করুন।
  • এডোবির প্রোডাক্ট ডাউনলোড করার জন্য তারা আপনার কম্পিউটার ব্রাউজারে সেশন কুকি সেট করে দেয়। একারনে আপনার এডোবি আইডি তৈরী করাটা জরুরী।
  • এবার নিচের টেবিলের লিংকগুলো ব্যবহার করুন এবং নিশ্চিন্তে ডাউনলোড করুন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে আপনার পর্যাপ্ত ডাটা আছে কিনা।
Adobe CC 2015
Direct Downloads
WindowsMac OS
SizeInstallerSizeInstaller
সফটওয়্যারগুলো সব জিপ ফাইল হিসাবে ডাউনলোড হবে। সুতরাং জিপ ফাইলগুলো আনজিপ করার জন্য WinRAR অথবা 7-Zipসফটওয়্যার দু’টির যেকোন একটি ব্যবহার করুন।
Photoshop CC 2015 (32-bit)693 MBDownload
Photoshop CC 2015 (64-bit)797 MBDownload826 MBDownload
Illustrator CC 2015 (32-bit)1.6 GBDownload
Illustrator CC 2015 (64-bit)1.7 GBDownload1.7 GBDownload
InDesign CC 2015 (32-bit)460 MBDownload
InDesign CC 2015 (64-bit)495 MBDownload540 MBDownload
InCopy CC 2015 (32-bit)454 MBDownload
InCopy CC 2015 (64-bit)488 MBDownload524 MBDownload
Dreamweaver CC 2015 (32-bit)330 MBDownload
Dreamweaver CC 2015 (64-bit)417 MBDownload311 MBDownload
Flash Professional CC 2015855 MBDownload956 MBDownload
Premiere Pro CC 2015798 MBDownload941 MBDownload
After Effects CC 20151.3 GBDownload1.3 GBDownload
Audition CC 2015319 MBDownload340 MBDownload
Prelude CC 2015384 MBDownload392 MBDownload
SpeedGrade CC 2015339 MBDownload360 MBDownload
Media Encoder CC 2015526 MBDownload657 MBDownload
Adobe Muse CC 2015201 MBDownload270 MBDownload
Edge Animate CC 2015149 MBDownload137 MBDownload
Edge Code CC Preview37 MBDownload43 MBDownload
Edge Inspect CC30 MBDownload28 MBDownload
Edge Reflow CC Preview (32-bit)32 MBDownload
Edge Reflow CC Preview (64-bit)32 MBDownload34 MBDownload
Bridge CC (32-bit)314 MBDownload
Bridge CC (64-bit)349 MBDownload370 MBDownload
Adobe Scout CC17 MBDownload13 MBDownload
Adobe Drive CC375 MBDownload214 MBDownload
Extension Manager CC108 MBDownload103 MBDownload
CC Desktop App203 MBDownload187 MBDownload
Other Tools Included in Creative Cloud 2015
Acrobat DC Pro (April 2015)545 MBDownload518 MBDownload
Lightroom CC 2015 (LR 6)744 MBDownload727 MBDownload
Adobe Camera Raw 9.1247 MBDownload214 MBDownload
Flash Builder 4.7 Premium1.0 GBDownload1.1 GBDownload
Fireworks CS6438 MBDownload627 MBDownload
Encore CS6 (readme)1.1 GBDownload1.6 GBDownload
ExtendScript Toolkit94 MBDownload96 MBDownload
Exchange Panel Toolkit79 MBDownload90 MBDownload
Creative Cloud Packager3 MBDownload4 MBDownload
Adobe Gaming SDK296 MBDownload315 MBDownload
Touch App Plugins4 MBDownload8 MBDownload

ইনস্টলেশন এবং একটিভেশন

আশা করছি আপনারা সফলভাবে ডাউনলোড নির্দেশনা মেনে সফটওয়্যারগুলোর জিপ ফাইল ডাউনলোড করতে পেরেছেন। এবার ডাউনলোড করা ফাইলগুলোকে ইনস্টল এবং একটিভেট করার পালা। তবে এবার আমরা ইনস্টলেশন এবং একটিভেশন প্রক্রিয়া একই সাথে শেষ করবো। তবে সব কিছু করার আগে আপনার প্রয়োজন হবে বরাবরের মতোই ফুল ভার্সন করার মেডিসিন ফাইল। নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে এখনি মেডিসিন ফাইলটি ঝটপট ডাউনলোড করে নিন। মেডিসিন ফাইলের সাইজ মাত্র ৮৯ কিলোবাইট। তাই  আপনারা যারা সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন তাদের আর বেশি কষ্ট করতে হবে না।
এডোবির সবগুলো প্রোডাক্টের জন্য  মেডিসিন ফাইল ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন | অথবা এখানে ক্লিক করুন
  • মেডিসিন ফাইল ডাউনলোড শেষ হলে কম্পিউটারের ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করুন। এবং মেডিসিন ফাইলের ফেতরে থাকা Disable Activation.cmd ফাইলটি রান করুন। অথবা কম্পিউটারের ‍“C:\Windows\System32\drivers\etc” লোকেশনা থাকা Hosts ফাইলে নিচের লাইনগুলো যুক্ত করে দিন।
127.0.0.1 na1r.services.adobe.com
127.0.0.1 hlrcv.stage.adobe.com
127.0.0.1 lmlicenses.wip4.adobe.com
127.0.0.1 lm.licenses.adobe.com
127.0.0.1 activate.adobe.com
127.0.0.1 practivate.adobe.com
হোস্ট ফাইল কীভাবে এডিট করতে হয় সেটা না জানলে আমার নিচের টিউনগুলো এক নজরে দেখে নিন। হোস্ট ফাইল সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য এবং এডিট করার সমস্ত প্রক্রিয়া আপনারা টিউন দুটি থেকে জানতে পারবেন।

এডোবির যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল এবং একটিভেশন

এডোবির প্রত্যেকটি সফটওয়্যারের ইনস্টল এবং একটিভেশন প্রক্রিয়া একই ধরনের। তাই যেকোন একটি প্রক্রিয়া ভালোভাবে বুঝতে পারলে আপনি একই রকমভাবে সবগুলোই ইনস্টল এবং একটিভেট করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি বহুল ব্যবহৃত এডোবি ড্রিমওয়েভার সফটওয়্যারটি ইনস্টল এবং ফুল ভার্সন হিসাবে একটিভ করে দেখাবো। নিচের প্রত্যেকটি ধাপ এ কারনে খুব মনযোগ দিয়ে দেখবেন।
  • মেডিসিন ফাইলে থাকা Medicine.exe ফাইলটি এডমিন হিসাবে রান করুন এবং নিচের চিত্রে দেখানো ড্রপডাউন লিস্ট হতে ড্রিমওয়েভার সফটওয়্যারটি নির্বাচন করুন (আপনি যেটা ইনস্টল করবেন সেটাই সিলেক্ট করবেন)।
  • এবার জেনারেইট বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মতো একটি সিরিয়াল নাম্বার পাবেন। এটাকে কপি করে রাখুন। প্রয়োজনে নোটপ্যাডে সংরক্ষণ করুন।
  • এবার ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যারটির প্যাকেজ ফাইলের ভেতরের সেটাপ ফাইলটি রান করুন। এবং নিচের চিত্রের মতো আসলে দেখানো অংশে ক্লিক করুন।
  • এডোবি একাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করতে বলবে। যেহেতু ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে রেখেছেন তাই সাইন ইন প্রক্রিয়া সম্ভব হবে না। এ কারনে সাইন ইন বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মতো উইন্ডো আসবে। আপনি চিত্রের মতো কানেক্ট লেটার বাটনে ক্লিক করুন।
  • এবার নিচের চিত্রের মতো মেডিসিন ফাইলের সিরিয়াল নাম্বার দেখানো বক্সে পেস্ট করুন। কাজ শেষে নেক্সট বাটন চাপুন। তাহলে ইনস্টশনের প্রক্রিয়ার জন্য ভাষা এবং অন্যান্য সেটিংস আসবে। সেগুলো নিজের মতো পরিবর্তন করে অথবা যেভাবে আছে সেভাবেই রেখে ইনস্টলেশন শেষ করুন।
  • ইনস্টলেশন শেষ হলে নিচের মতো উইন্ডো আসবে এবং আপনি সফটওয়্যারটি চিত্রে দেখানো পদ্ধতিতে চালু করবেন।
  • চিত্রের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করুন।
  • চিত্রের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করুন।
  • চিত্রের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করুন।
  • চিত্রের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করুন।
  • চিত্রের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করুন।
  • এবার দেখুন আপনার কাজ শেষ হয়েছে! অভিনন্দন আপনাকে :-)
আশা করছি শেষ পর্যন্ত আপনি সফলভাবে সফটওয়্যারটি ফুল ভার্সন ইনস্টল করতে পেরেছেন। আর আমিও সফলভাবে টেকটিউনসে দ্বিতীয়বারের মতো এডোবির সবগুলো সফটওয়্যার নিয়ে আমার দ্বিতীয় টিউনটি শেষ করলাম। আমার এডোবি সিসি ২০১৪ নিয়ে করা টিউনটি আপনারা এখানে ক্লিক করেদেখে নিতে পারেন। আশা করছি পুরাতন ভার্সন ব্যবহারকারীদের জন্য টিউনটি সহায়ক হবে।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো সেটা হলো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

রবিবার, ১৪ জুন, ২০১৫

প্রয়োজনীয় কয়েকটি শর্টকাট কী

Windows + Space
এটি উইন্ডোজ সেভেনের কম্বিনেশানে হিট করা মাত্রই আপনার ওপেন রাখা সমস্ত উইন্ডো ট্রান্সপারেন্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু আপনাকে এই কম্বিনেশানে হিট করে ধরে রাখতে হবে। ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে এই ইফেক্ট ডিএ্যাকটিভ হয়ে পড়বে।
Windows + D
অনেক সময় আমরা যে উইন্ডোতে কাজ করি তা মিনিমাইজ করার প্রয়োজন পরে। এই সময় শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করলে উইন্ডোজের সব ওপেন উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যাবে। আবার সব উইন্ডো ওপেন করতে চাইলে শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করলেই হবে। তাহলে আগের উইন্ডোগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।
Windows + E
শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করা হলে আপনার লাইব্রেরি ফোল্ডারকে শো করার জন্যে অটোমেটিক্যালি একটি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার অন হবে।
Windows + P
আপনার মাল্টিপল মনিটরকে আরো সহজে ম্যানেজ করার জন্যে এই শর্টকাটটি সংযুক্ত করা হয়েছে। শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করার পরেই আপনার ডেস্কটপে একটি ওভারলে এ্যাপিয়ার করবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সেকেন্ড ডিসপ্লে এবং প্রজেক্টর কে কন্ট্রোল করতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে একটি সিঙ্গেল মনিটর থেকে ডুয়াল ডিসপ্লে এবং এক্সটেন্ডেড ডেস্কটপ মোডে সুইচ করতে পারেন।
Windows + + ( প্লাস কী ) এবং Windows + – ( মাইনাস কী )
এটি ইউন্ডোজ সেভেনের ম্যাগনিফাইয়িং ফিচার। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে প্লাস অথবা মাইনাস কী তে স্ট্রোক করে আপনি আপনার ডেস্কটপের যে কোন অংশ ম্যাগনিফাই করতে পারবেন।
Windows + Shift + Left/Windows + Shift + Right
আপনি যদি একাধীক ডিসপ্লে ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই শর্টকাটের মাধ্যমে আপনি ইন্সট্যান্টলি এক স্ক্রীন থেকে আরেকটিতে ট্রান্সফার হতে পারবেন। সাধারণত মাল্টিপল ডকুমেন্টে কাজ করার সময় এটি ইফেক্টিভ একটি ফিচার।
Ctrl + Shift + Click
কোন এ্যাপ্লিকেশানে এ্যাডমিনিস্ট্র্যাটিভ এ্যাকসেস পেতে চাইলে ঐ এ্যাপ্লিকেশান লঞ্চ করার সময় Ctrl + Shift চেপে এ্যাকটিভ করতে হবে।
Windows + Left এবং Windows + Right
উইন্ডোজ সেভেনের একটি চোখে পড়ার মত ফিচার আছে। এখানে মাউজ দিয়ে সিম্পলি বাম থেকে ডানে ড্র্যাগ করে উইন্ডো সাইজকে আপনার ডেস্কটপের অর্ধেকে নিয়ে আসতে পারবেন।
Alt + P
ফাইল প্রিভিউকে এ্যাকটিভ করতে এই কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়।
Windows + Up এবং Windows + Down
যে কোন উইন্ডো সাইজকে মাক্সিমাম করতে উইন্ডোজ এবং আপ কী চেপে ধরলে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে যাবে। আবার একই ভাবে উইন্ডোজ এবং ডাউন কী চাপলে উইন্ডোটি মিনিমাইজ হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, পুনরায় উইন্ডোজ এবং আপ কী চাপরে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে রিস্টোর হয় না।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০১৫

আপনি কি জিডি করা নিয়ে সম্যাসায় আছেন ? আর চিন্তা নাই এবার থেকে জিডি করুন অনলাইনে।

টিউন করেছেন : 
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন, আশাকরি ভালো আছেন। আজ বামি চেষ্টা করব আপনাদের সাথে জিডি নিয়ে আলোচনা করতে। শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরীতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল আটটায় ডায়েরী খুলে পরের দিন সকাল আটটায় বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ কার্যত এটি কখনই বন্ধ হয় না।
এই ডায়েরীতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন আসামী কোর্টে চালান দেয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
অনলাইনে কিভাবে জিডি করব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোন থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকেন। আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও তিনি জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রয়োজনবোধে তদন্ত করা, নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও জিডির বিষয়টি মামলাযোগ্য হলে পুলিশ মামলা করে থাকে। আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জিডি করা
থানার ডিউটি অফিসার জিডি নথিভুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি ডায়েরীতে জিডির নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। জিডির দুটি কপি করা হয়। একটি থানায় সংরক্ষণ করা হয় এবং অন্যটিতে জিডির নম্বর লিখে প্রয়োজনীয় সাক্ষর ও সীলমোহর দেয়া হয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।
অভিযোগকারী নিজে জিডি লিখতে পারেন, আবার প্রয়োজনে থানার কর্মকর্তাও লিখে দিয়ে থাকেন।
প্রতিটি জিডির বিপরীতে একটি নম্বর দেয়া হয়, ফলে কোন অবৈধ প্রক্রিয়া মাধ্যমে কেউ আগের তারিখ দেখিয়ে জিডি করতে পারেন না।
অনলাইন জিডি
আবার পুলিশের তাৎক্ষণিক সাড়া দেবার প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে যেমন পাসপোর্ট হারানো, বাখাটে বা মাদক সেবীদের সম্পর্কে তথ্য প্রদান বা এজাতীয় ক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করা যেতে পারেন বা সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স বা ই-মেইল করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে দেশের বাইরে থেকেও জিডি করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করার পর ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিডি নম্বরটি জিডিকারীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
অনলাইনে জিডি করার জন্য  http://www.police.gov.bd সাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’ –এ ক্লিক করতে হবে।
ই-মেইল: bangladesh@police.gov.bd.
ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৯৫৫৮৮১৮
হারানো বিষয়ের জিডি
মোবাইল ফোনের সিম, পরীক্ষার সার্টিফিকেট, জমির দলিল প্রভৃতি হারিয়ে গেলে ঐ সব কাগজপত্র পুনরায় তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হারানো সংবাদের জিডি চেয়ে থাকে, তাই ঐসব ক্ষেত্রে হারানো সংবাদের জিডি করে সেই জিডি নম্বরসহ কর্তৃপক্ষরে কাছে আবেদন করতে হয়।

একটি জিডির নমুনা দেখা যাক নিচে

বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
………. থানা
ঢাকা।
বিষয়: এসএসসি সার্টিফিকেট হারানো সংবাদ ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন।
মহোদয়,
আমি নিম্ন সাক্ষরকারী আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট আজ সকাল আনুমানিক ১১ টার সময় ঢাকা কলেজের পাশের রাস্তার একটি ফটোকপি করার দোকান থেকে হারিয়ে গেছে।
এমতাবস্থায় হারানোর বিষয়টি ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
সার্টিফিকেটের বিবরণ:
পরীক্ষার নাম…শিক্ষাবর্ষ…রেজিষ্ট্রেশন নং… রোল নং…
দাখিলকারী,
….
ঠিকানা…
ফোন…

বাংলাদেশ পুলিশের আরও কিছু সেবা সম্পর্কে জানুন

১। গাড়ি আটক হলে কী করবেন
ট্রাফিক আইন ভাঙাসহ বিভিন্ন কারণে পুলিশ গাড়ি আটক করে করে থাকে। গাড়ি আটক হলে অনেকেই ঘাবড়ে যান, মনে করেন গাড়ি ছাড়িয়ে আনা বেশ ঝামেলার কাজ। অনেকে আবার উৎকোচ দিয়ে কাল্পনিক ঝামেলার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন।
পুলিশ বিভিন্ন কারণে আপনার গাড়ি আটক করতে পারে, যেমন, সঠিক জায়গায় গাড়ি পার্ক না করা, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, চলতে গিয়ে পুলিশের নির্দেশনা না মানা, গাড়ির ফিটনেস সংক্রান্ত কাগজপত্র নবায়ন না করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন না করা ইত্যাদি।
গাড়ি আটক করার সময় পুলিশ একটি বা দু’টি কাগজ জব্দ করবে এবং আপনাকে একটি রশিদ দেবে। ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের চারটি জোন রয়েছে, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম। পুলিশের দেয়া রশিদের পেছনেই লেখা থাকবে কোন জোনের ট্রাফিক পুলিশ আপনার গাড়িটি আটক করলো। আপনাকে সেই জোনের অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে। রশিদের পেছনে জোন ভিত্তিক উপস্থিতির সময়ও লেখা থাকে। কাজেই সে অনুয়ায়ী গেলে আপনার সময় বাঁচবে। তবে অন্তত চার-পাঁচদিন পরে যাওয়াই ভালো, কারণ কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে পৌঁছাতে সাধারণত তিন-চারদিন সময় লাগে।
কোথায়, কি অপরাধে জরিমানা করা হল, কে জরিমানা করলেন, কত তারিখের মধ্যে হাজির হতে হবে সব কিছুই লিখে দেয়া হয় রশিদটিতে। সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনার জরিমানা নির্ধারণের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করে থাকেন। এসব ক্ষেত্রে আপনি আপনার অনুকূলে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে পারেন। ডেপুটি কমিশনার পূর্ণ জরিমানার চার ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত জরিমানা নির্ধারন পারেন, এমনকি জরিমানা মওকুফও করে দিতে পারেন। তবে আপনার ড্রাইভারকে রশিদসহ পাঠিয়ে জরিমানা দিয়ে আসাটাই বেটার অপশন বলা যায়। জরিমানা দেবার জন্য ডেপুটি পুলিশ কমিশনার অফিস থেকে আরেকটি রশিদ দেয়া হবে আপনাকে।
বিভিন্ন অপরাধে জরিমানার হার জানতে ‘যানবাহনের মামলা’ প্রতিবেদনটি পড়তে পারেন।
তবে জরিমানা না দিলে বা যথাসময়ে হাজির না হলে অপরাধের ধরন, ঘটনাস্থল ইত্যাদির প্রতিবেদন সহকারে মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হবে ওয়ারেন্ট ইস্যু করার জন্য। এসব ক্ষেত্রে জরিমানা নির্ধারনের পর আপনি যদি মনে করেন আপনার ওপর অন্যায় করা হয়েছে তবে আদালতেও যেতে পারেন। সামান্য জরিমানার জন্য আদালতে গিয়ে আর্থিক বিচারে আপনার কোন ফায়দা হবে না, তবে রায় আপনার অনুকূলে গেলে সেটি আপনার জন্য একটি নৈতিক বিজয় হবে। বলাহুল্য এত ঝামেলা করে কেউ সাধারণত জরিমানা চ্যালেঞ্জ করতে আদালতে যায় না।
২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি
বিদেশে যাওয়া বা বিদেশে চাকুরির ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। পুলিশ ক্লিয়রেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধী নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই।
ঢাকার বাসিন্দাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হলে রমনায় অবস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। সকল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইংরেজী ভাষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে সত্যায়িত করে দেয়া হয়।
যোগাযোগ:
‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস’, রুম-১০৯,
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়াটার্স,
৩৬, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী, রমনা, ঢাকা।
হেল্পলাইনঃ- ০১১৯১০০৬৬৪৪, ০২-৭১২৪০০০, ৯৯৯-২৬৩৫
* সার্টিফিকেট সংগ্রহের পদ্ধতিগুলো এক নজরে দেখে নেই 
একটি সাদা কাগজে বাংলা বা ইংরেজীতে পুলিশ কমিশনার মহোদয় বরাবর আবেদন করতে হয়, সাথে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপি দিতে হয়। পাসপোর্টের যে সকল পৃষ্ঠায় প্রার্থী সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে যে সকল পৃষ্ঠা এবং যদি নবায়ন করা হয়ে থাকে তবে নাবায়নের পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্টের ফটোকপি দাখিল করতে হয়। কর্তৃপক্ষ চাইলে মূল পাসপোর্টও প্রদর্শন করতে হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট গৃহীত হয় না।
ঠিকানা সংক্রান্ত নিয়মাবলী:
  • পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই ঢাকা মহানগর এলাকার অভ্যন্তরে হতে হবে এবং অবশ্যই ঐ ঠিকানায় বসবাস করতে হবে। যদি পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা অথবা “থানা এলাকার” পরিবর্তন হয় তবে নিকটস্থ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঠিকানা সংশোধন করে পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে। প্রার্থীর দাখিলকৃত জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রে উল্লেখিত ঠিকানার সাথে প্রার্থীর বর্তমান বসবাসের ঠিকানার মিল থাকা জরুরি।
  • যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপিসহ তার পক্ষে আত্মীয়/অনুমোদিত ব্যক্তি আবেদন পত্র দাখিল করতে পারেন।
  • পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা যদি ঢাকা মহানগরীর বাইরে হয় তবে ঠিকানাটি যে জেলার অন্তর্গত সেই জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হয়।
সাথে যা যা প্রয়োজন:
  • বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় কোড নম্বর- (১-২২০১-০০০১-২৬৮১) এর অনুকূলে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালানের মূলকপি। ব্যাংক চালানের কোড নম্বর এর ঘরে কোন প্রকার ঘষামাজা / ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না এবং সঠিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল দেয়া হল কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম.আর.পি) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরুপ জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদ/ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রদত্ত সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হয়।
  • শুধুমাত্র “স্পেন” সংক্রান্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে তার আবেদনসহ উপরে উল্লেখিত কাগজপত্রের সাথে ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে “সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়” বরাবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা ০৩ এ দাখিল করতে হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা
আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর অফিস থেকে প্রাথমিকভাবে সিরিয়াল নম্বরসহ একটি টোকেন দেয়া হয়। টোকেনে একটি তারিখ উল্লেখ করা হয়। উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট থানায় টোকেনটি জমা দিতে হয়। এরপর থানার তরফ থেকে একটি তদন্তর্কায সম্পন্ন করা হয়। এই তদন্তের সাত (৭) কর্মদিবসের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া হয়।
বাংলাদেশে বসবাসরত/কর্মরত বিদেশী নাগরিক/বিদেশী পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণ উপরোক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিজে অথবা অনুমোদিত ব্যক্তি দ্বারা আবেদনপত্র দাখিল করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিকট আবেদনের নমুনা-

বরাবর,
পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
ঢাকা।
বিষয়ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে আবেদন করছি যে, আমি/ আমার……………………………………….বিদেশ যাওয়া/ স্থায়ীভাবে বসবাস করা/ ……………………………………………………………………………….. জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন। আমার…………………………………………………………………… পাসপোর্ট অনুযায়ী বৃত্তান্ত নিম্নরুপঃ-

নাম……………………………………………………………………………………..
পিতা/ স্বামী…………………………………………………………………………….
ঠিকানা…………………………………………………………………………
…………………………………………………………………………………
পাসপোর্ট নম্বর ……………………..ইস্যুর তারিখ ………………………………..
স্থান ………………………………………………….

অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন, আমি যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মর্জি হয়।

বিনীত নিবেদক
তারিখ………………..
………………………….
ফোন………………………

৩। হঠাৎ গ্রেফতার হলে কি করবেন ?
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে পুলিশ বিভিন্ন অভিযানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করে থাকে। তবে কোন অভিযোগ ছাড়া কাউকে অনির্দিষ্টকাল আটক করে রাখতে পারে না। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দিতে হয় বা কোন আইনের আওতায় তাকে গ্রেফতার দেখাতে হয় এবং কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনে আটকাদেশ দিতে পারেন।
পুলিশ গ্রেফতার করলে করণীয়:
  • পুলিশের নিকট নাম, ঠিকানা ও পেশাসহ পরিচয় তুলে ধরতে হবে।
  • পেশজীবি বা ছাত্র হলে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। একারণে সবসময় পরিচয়পত্র সাথে রাখা উচিত।
  • এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচিত আইনজীবির ফোন নম্বর সাথে রাখা যেতে পারে এবং গ্রেফতারের পর দ্রুত আইনজীবিকে বিষটি জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। অন্তত আত্নীয় বা বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
  • ঢাকায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নেয়া হয়, আর যে কোন থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় নেয়া হয়।
  • গ্রেফতারের পর কাউকে লকআপে রাখার আগে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র যেমন, কাগজ, মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি থাকলে তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সেগুলোর একটি তালিকা তৈরী করে আটককৃত ব্যক্তির সাক্ষর নেয়। এই সাক্ষর দেবার সময় তালিকাটি পড়ে নেয়া উচিত।
  • পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা পাঠ করে বা বিবৃতির ভাষ্য অবগত হয়ে তাতে স্বাক্ষর করা উচিত।
  • গ্রেফতারের পর আইনজীবী বা পরিবারের কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানাতে না পারলে আদালতে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাসরি বিষয়টি জানানো উচিত। এতে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
  • গ্রেফতারের পর কোন পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হলে বা অসুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে বা নিজ উদ্যোগে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে নিতে নেয়া যায়। চেকআপ করালে এ রিপোর্টটি সংগ্রহে রাখা উচিত। চেকআপকারী ডাক্তারের পরিচয় জেনে রাখা উচিত কারণ তা পরবর্তীতে প্রয়োজন হতে পারে।
  • পুরনো কোন মামলায় গ্রেফতার হলে দ্রুত ঐ মামলার নম্বরসহ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।
  • নতুন কোন মামলায় বা কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হলে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।
৪। অর্থ পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা 
বিভিন্ন সময়ে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন অনেকেই বড় অংকের টাকা নিয়ে যাতায়াতে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। সব সময় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করা সম্ভব না হওয়াতে ব্যক্তি পর্যায়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নগদ টাকা পরিবহন করতেই হয়।
বড় অংকের অর্থ আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন আপনি। যেদিন পুলিশী নিরাপত্তা প্রয়োজন হবে তার চার থেকে পাঁচ দিন আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর কবে এবং কোথায় বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন সেটা জানিয়ে আবেদন করতে পারেন, এজন্য আলাদা কোন মাশুল দিতে হবে না। আর দরখাস্ত করতে সশরীরে যেতে হবে রমনায় অবস্থিত পুলিশ কমিশনার অফিসে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এক্সচেঞ্জের(৯৯৯ নম্বরে) ২২২২, ২৩৩৩, ২৪৪৪, ২৬৬৬ এক্সটেনশন নম্বরে ডায়াল করে বিস্তারিত জানতে পারেন।
টিউনটা পরার জন্য ধন্যবাদ। ভা্লো লাগলে শেয়ার করবেন।