শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১১

মাছ নিয়ে খেলা করা

আপনারা এই পেজের ডান পাশে Fish নামে কিছু মাছ দেখবেন। এগুলোকে খাওয়ানোর জন্য মাউসের বাম বাটনে ক্লিক করুন। এবার দেখুন মজা কি?


ভালো থাকবেন।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১১

আইনস্টাইন যে পরীক্ষাটি করেছিলেন সেটি নিজে করে দেখুন মজা পাবেন

টিউন করেছেন : rasel japan

১. হাজার চেষ্টা করলেও জিহ্বা দিয়ে আপনি আপনার সব দাঁত স্পশ করতে পারবেন না।
২. এই ধ্রব সত্যটা পরীক্ষা করতে আপনি এর মধ্যেই একবার জিহ্বা দিয়ে দাঁত স্পশ করার চেষ্টা করেছেন। কী সত্যি না?
৩. এবং আপনি আবিস্কার করে ফেলেছেন যে জিহ্বা দিয়ে আসলে সব দাঁত স্পশ করা যায়।
৪. আপনি এখন হাসছেন,হা…..হা….কারণ আপনি বুঝে ফেলেছেন যে আপনি একটা বোকামি করেছেন ।
৫. বন্ধুকে বোকা বানাতে লেখাটি তাঁকেও পড়তে দিন এবং খেয়াল করুন তিনি জিহ্বা দিয়ে দাঁত স্পশ করার চেষ্টা করেন কি না ।
লেখটি আসলে মজা করার জন্য কেউ মাইন্ড খাইবেনা দয়া করে ।

সোমবার, ৬ জুন, ২০১১

ছাড়তে চান দীর্ঘসূত্রিতা আর আলস্য? মনযোগ দিয়ে লিখাটি দেখুন,আপনিও পারবেন(মেগা টিউন)


আজ করব, কাল করব, সকালে করব, বিকেলে করবএই করি করি করে করা আর হয় নাআর করা হলেও হয় শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করেধীরে সুস্থে ভাল ভাবে করার জন্যে কাজটি রেখে দিলেও শেষ মুহুর্তে তাড়াহুড়ো করে করতে গিয়ে দেখা যায় যে দায়সারা ভাবে কাজটি শেষ করতে হয়অথচ আমরা একটু সচেষ্ট হলেই এই দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে উঠতে পারিজীবনকে করে তুলতে পারি আরও সফল আরও আনন্দময়
কেন আমরা দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে উঠতে পারি না?
কেন আমরা দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে উঠতে পারি না এই ব্যপারে মনোবিজ্ঞানী ড. লিন্ডা অনেকদিন দীর্ঘ গবেষনা করেছেনতিনি সব ধরণের দীর্ঘসূত্রিতার পেছনেই তিনটি সাধারন অনুভূতি বা আচরন সনাক্ত করেছেন
১. আমরা বড় বড় কাজ করতে চাই কিন্তু সে লক্ষ্যে বাস্তবে কাজ শুরু করি না
২. কাজ শুরু না করার ব্যাখ্যা দাড় করাতে আমরা মেধাবি
৩. আমরা জানি যে দীর্ঘসূত্রিতা দ্বারা আমরা আমাদের সুখকে স্যাবোটেজ করছিমজার ব্যাপার হচ্ছে, এই অনুশোচনা দীর্ঘসূত্রিতাকে আরো বাড়িয়ে দেয় আমাদের জীবন আত্মপরাজয়ের দিকে ধাবিত হয়
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে দীর্ঘসূত্রিতার মূল কারণ আলস্য নয়দীর্ঘসূত্রিতার মূল কারণ হচ্ছে এক অজানা আশংকা এই আশংকা বা ভয় হতে পারে পরিবর্তনের ভয়, নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়, অশান্তির ভয় বা অন্য কোন ভয় যার অস্তিত্ব রয়েছে আপনার মনের গহীনেআর দীর্ঘসূত্রি মানুষ সব সময় পেছনে পড়ে থাকেঅন্যরা যখন সাফল্যের সোপানে ধাপে ধাপে এগিয়ে যায়, সে তখন পেছন থেকে দেখে আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে দীর্ঘসূত্রিতার প্রধান ধরন ৬টি
১.স্বপ্নচারীঃ এরা সব সময় চায় জীবন সহজ হোক কষ্ট মুক্ত হোকএরা বাস্তব জীবন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেনিজেকে আকাশ কুসুম কল্পনার মাঝে ডুবিয়ে দেয়আকাশ কুসুম কল্পনার মাঝে ডুবে থাকতেই ভালোবাসে কারণ সেখানে কিছুই তাদের জন্য হুমকি নয়তারা মনে করে তারা বিশেষ প্রজাতির মানুষতাদের নিয়ম অনুসরন করার প্রয়োজন নেইএই ধরনের স্বপ্নাচারী দৃষ্টিভঙ্গি তাদের পেশাগত,পারিবারিক,পারিপার্শ্বিক সমস্যা সৃষ্টি করেযা পরিণামে তার মধ্যে এক পলায়নী মনোবৃত্তি জন্ম দেয়
প্রতিকারঃ আপনি যদি এ ধরনের স্বপ্নাচারী হন তবেমুহুর্তের ভালোলাগাআর নিজেকে ভালোলাগাএর মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন আপনি যদি এখন দিবাস্বপ্নে ডুবে থাকেন বা টেলিভিশনের সামনে বসে অলস সময় কাটান, তাহলে এটা হচ্ছে মুহুর্তের ভালোলাগাকিন্তু আপনি যদি নতুন কিছু শেখেন, নতুন কোন দক্ষতা অর্জনে সময় ব্যয় করেন, তাহলে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে, নিজের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়বেএটা হচ্ছে নিজেকে ভালোলাগাকাজটা এখনি করতে হবে এবং এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই আপনাকে কাজে নামতে হবেবাস্তবতার আলোকে প্রতিদিন কি কি করা যায় এবং তা করার জন্য কি কি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া যায়, তা লিখে ফেলুনদিনের শেষে কিছুটা সময় ব্যয় করুন দিনের কাজ পর্যালোচনায়বারবার নিজেকে বলুন, আজকের কাজ আজকেই করব
২. দুশ্চিন্তাকারীঃ দুশ্চিন্তাকারীরা সব সময় নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তাকেই সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়আর এজন্যে তাকে মুল্যও দিতে হয় অনেকতার নিরাপদ আরামদায়ক এলাকার সীমানা খুবই ছোটকোন ঝুঁকি বা পরিবর্তনের মুখোমুখি হলেই দুশ্চিন্তায় তার হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে ঝর্ণাধারার মত অবিরাম গতিতে দুশ্চিন্তার প্রবাহ চলতে থাকে তার মনের ভেতরেযদি এই এই হয়তাহলে কি অবস্থা দাড়াবে এই নেতিবাচক আশংকায় সে একেবারে সংকুচিত হয়ে যায়যদি এই বিরক্তিকর চাকরিটা ছেড়ে দেই তবে যদি আর কোন চাকরি খুজে না পাই? এই আশংকায় সে চাকরি ছাড়তে পারে নাঅনিশ্চয়তা মোকাবেলা করার চেয়ে সে একঘেয়ে নিরাপদ জীবনকেই বেছে নেয়সাধারণত দেখা যায়, এই ধরনের দুশ্চিন্তাকারীদের বাবা-মা বা অভিভাবক রয়েছেন, যারা এদের প্রতিটি প্রয়োজন পূরণে এগিয়ে আসেন এবং অবচেতনভাবে তাদের সন্তান যে তাদেরকে ছাড়া চলতে পারে না এই অনুভূতিতে আনন্দ পানদুশ্চিন্তাকারীদের জীবনে আনন্দ খুবই কম থাকে তারা সহজেই ক্লান্ত হয়ে যায়
প্রতিকারঃ অধিকাংশ দুশ্চিন্তাকারীর অন্তরেই ঘুমিয়ে আছে প্রানবন্ত সাহসী সত্তাআপনি যদি একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, যদি কিছুই ভালো না লাগে, তাহলে আপনাকে বলিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবেসব কিছুর মাঝেই বিপদ কল্পনা করা থেকে বিরত থাকুনসিদ্ধান্ত নিন
কারণ সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকাও এক ধরনের সিদ্ধান্তআর তা নিজের জন্যেই ক্ষতিকরনতুন পরিস্থিতি ও পরিবেশ সম্পর্কে শুধুমাত্র খারাপ দিকগুলো না ভেবে সম্ভবনাগুলো নিয়ে ভাবুনভাল দিকগুলো নিয়ে ভাবলে অনুভূতিই পাল্টে যাবেআপনি নতুন সুযোগ গ্রহন করতে পারবেননতুন কাজে হাত দেবার সাহস পাবেন
৩. অমান্যকারীঃ কর্তৃত্ব বা ক্ষমতার বিরুদ্ধে এদের ক্ষোভ রয়েছেকিন্তু এরা এই ক্ষোভ প্রকাশ করে খুবই সঙ্গোপনে  এই ধরনের দীর্ঘসূত্রিতাকারী কাউকে যদি বলেন এ কাজটা করে দাওসে সাথে সাথে বলবেঠিক আছে করে দেবকিন্তু তারপর সে তার প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যাবে অথবা আধাআধি করে কাজটি করবে বা অনেক দেরিতে কাজটি করবেব্যক্তিগত বা পারিবারিক  সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এরা অন্যের প্রয়োজন পূরনের বেলায় এই কৌশল অবলম্বন করে এ ধরনের আচরন তাকে ক্ষমতার অনুভূতি প্রদান করেকিন্তু এর ফলে তার সহকর্মী বা সঙ্গীরা নিজেদেরকে অবহেলিত ও ব্যবহৃত ভাবেপরিণামে অমান্যকারী নিজেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর সে নিজেকে এই বলে স্বান্তনা দেয় যে, এই জটিল বিশ্বে একজন ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ বলেই সে নিজে শাস্তি পাচ্ছেসে অসুখি হলেও এ নিয়ে গর্বিত
প্রতিকারঃ প্রতিক্রিয়ার বদলে ক্রিয়া করতে শিখুন নিজেকে জীবনের শিকার মনে করার পরিবর্তে জীবনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভাবুনঅন্যরা আপনার ব্যাপারে কি করছে সে দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে আপনি নিজের জন্যে কি করছেন তা নিয়ে ভাবুনমনে রাখুন, নিজে উদ্যোগী হওয়া ও প্রো-এক্টিভ হওয়াই শক্তিমান ও ক্ষমতাবান হওয়ার প্রথম শর্ত
৪. সংকট সৃষ্টিকারীঃ আমরা অধিকাংশই কোন না কোন ভাবে শেষ মুহূর্তে কাজ ভাল করতে পারিহাতে আর সময় নেই, এখন না করলেই নয়, তখন আমাদের মস্তিষ্ক পূর্ণোদ্দমে কাজ শুরু করেআমরা কাজ শেষ করিএকজন সংকট সৃষ্টিকারী সবসময় নাটক করতে চায়এক ধরনের আচরন থেকে অন্য ধরনের আচরনে চলে যায়প্রথমত সে পরিস্থিতিকে আমল দেয় নাচাপ অনুভব না করলে সে শুরুই করতে পারে নাপরে অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে উঠেসব বাদ দিয়ে সময়মত কাজ শেষ করার জন্য লেগে যায়এ ধরণের প্রক্রিয়া তারুণ্যে চলেকিন্তু ৪০ এর পর এ প্রক্রিয়ার সাথে শরীর আর তাল মেলাতে পারে না
প্রতিকারঃ সময়সীমার মাঝে কাজ করা বিরত্বব্যঞ্জক কিছু নয়, এটি নিয়মসংকটসৃষ্টিকারীদের কাজের ব্যপারে নিজেকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সমস্যায় ভোগেননিজেকে পুরোপুরি উদ্বুদ্ধ করতে পারলে আগে থেকেই কাজে হাত দেয়া যায়
৫. নিখুত কর্ম সম্পাদনকারীঃ এরা প্রতিটি কাজই নিখুতভাবে করতে চায়যে কোন কাজ করতে গেলেই সে তার আত্মমর্যাদাকে এর সাথে জড়িয়ে ফেলেবেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এরা আদর্শবাদী এবং সময় ও শক্তি ব্যয়ের ব্যাপারে অবাস্তববাদীওদের কাউকে পেন্সিল চোখা করতে দিতে বলুনদেখবেন সে হয়তো খুব বিব্রত ভাবে পেন্সিলের দিকে তাকাবে এবং সারা দিনই হয়তো এর দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে ভাববে কিভাবে সুন্দর করে পেন্সিলটি চোখা করা যায়অথবা সে তখনই পেন্সিল চোখা করতে লেগে যাবে এবং দিনের শেষে হয়তো ঠিকই পেন্সিলটি সুন্দর চোখা করে নিয়ে আসবে কিন্তু কাটতে কাটতে এতই ছোট করে নিয়ে এসেছে যে তা দিয়ে আপনি লিখতেই পারবেন নাএরা প্রতিটি জিনিসকেই হয় একেবারে নিখুত, নয় একেবারে কিছুই না এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেনিখুত কর্ম সম্পাদনকারীরা মনের গভীরে সবসময় মনে করে পুরোপুরি না পারলেই শেষ হয়ে গেলামদীর্ঘসূত্রিতা এদের কাছে বিচারকে বিলম্বিত করারই একটা প্রক্রিয়া, আপনি না খেললে কখনো হারবেন নাকাজ না করলে ব্যর্থও হবেন না
প্রতিকারঃ আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাতে হবেআপনার কি করা উচিত তা না ভেবে আপনি কতটুকু করতে পারেন তা নিয়ে ভাবুনকোন মানুষই নিখুত নয়তাই কোন কাজও নিখুত হতে পারে নাআপনার মাঝে মাঝে ভুল করা উচিত টেবিলের উপর আধবেলা সব এলোমেলো করে রাখুনপোশাকে একটু খুত থাকুক না এক বেলাযখন দেখবেন এর ফলে পৃথিবী ধংস হয়ে যাচ্ছে না, তখনই আপনি শিখবেন- নিখুত নয়, সুন্দরভাবে কাজ করাটাই গুরুত্বপুর্ণ
৬. সব কাজের কাজীঃ সব কাজের কাজীকে কখনও দীর্ঘসূত্রী মনে হয়নাকারণ সে সবসময় ব্যস্তসবসময় কাজ করতে চায়সে সবাইকে খুশি করতে চায়সবার কাজ করে দিতে চায়, কাউকেই না বলতে পারে নাসব কাজের কাজী কে আপাত দৃষ্টিতে দেখলে মনে হয়,সেই সফল হবেকিন্তু বাস্তবে তা হয়না আত্মনির্ভরশীল হওয়া ও সব কাজ করার সংগ্রামে সে তার কাজ ও সময়ের মাঝে সমন্ময় করতে ব্যর্থ হয়যাদের সে খুশি করতে চেয়েছিল, তাদেরকেও সে খুশি করার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে, তাদেরকেও সে খুশি করতে পারে নাকারণ সে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত কাজ হাতে নিয়েছিল
প্রতিকারঃ সব কাজের কাজীদের উচিত না করতে শেখাহাতে সময় ও কাজ কতটা আছে সেটা বিবেচনা করে হ্যাঁ বলুনযতটুকু আপনি করতে পারেন ততটুকুই করুনবাকিটুকু ছেড়ে দিন অন্যদের জন্যেতা হলেই আপনি সুখী হবেন
আপনি এবার চিন্তা করুন এ ৬ ধরনের দীর্ঘসূত্রীর মধ্যে আপনি কোন গ্রুপে পরেন, সেভাবে পদক্ষেপ নিনদীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্ত হয়ে সুন্দর জীবনের প্রতি অগ্রসর হোন
বি.দ্র. এই লেখাটি শ্রদ্ধেয় শহীদ আল বোখারী মহাজাতক এর লিখা আত্মনির্মান বইয়ের অংশবিশেষএটা আমার নিজস্ব কোন লিখা নাভালো লেগেছে তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলামবইটিতে এ ধরনের আত্ম উন্নয়ন মূলক অনেকগুলো চমকার লিখা আছেআশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে