রবিবার, ১৪ জুন, ২০১৫

প্রয়োজনীয় কয়েকটি শর্টকাট কী

Windows + Space
এটি উইন্ডোজ সেভেনের কম্বিনেশানে হিট করা মাত্রই আপনার ওপেন রাখা সমস্ত উইন্ডো ট্রান্সপারেন্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু আপনাকে এই কম্বিনেশানে হিট করে ধরে রাখতে হবে। ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে এই ইফেক্ট ডিএ্যাকটিভ হয়ে পড়বে।
Windows + D
অনেক সময় আমরা যে উইন্ডোতে কাজ করি তা মিনিমাইজ করার প্রয়োজন পরে। এই সময় শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করলে উইন্ডোজের সব ওপেন উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যাবে। আবার সব উইন্ডো ওপেন করতে চাইলে শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করলেই হবে। তাহলে আগের উইন্ডোগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে।
Windows + E
শর্টকাটটি অ্যাপ্লাই করা হলে আপনার লাইব্রেরি ফোল্ডারকে শো করার জন্যে অটোমেটিক্যালি একটি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার অন হবে।
Windows + P
আপনার মাল্টিপল মনিটরকে আরো সহজে ম্যানেজ করার জন্যে এই শর্টকাটটি সংযুক্ত করা হয়েছে। শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করার পরেই আপনার ডেস্কটপে একটি ওভারলে এ্যাপিয়ার করবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সেকেন্ড ডিসপ্লে এবং প্রজেক্টর কে কন্ট্রোল করতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে একটি সিঙ্গেল মনিটর থেকে ডুয়াল ডিসপ্লে এবং এক্সটেন্ডেড ডেস্কটপ মোডে সুইচ করতে পারেন।
Windows + + ( প্লাস কী ) এবং Windows + – ( মাইনাস কী )
এটি ইউন্ডোজ সেভেনের ম্যাগনিফাইয়িং ফিচার। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে প্লাস অথবা মাইনাস কী তে স্ট্রোক করে আপনি আপনার ডেস্কটপের যে কোন অংশ ম্যাগনিফাই করতে পারবেন।
Windows + Shift + Left/Windows + Shift + Right
আপনি যদি একাধীক ডিসপ্লে ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই শর্টকাটের মাধ্যমে আপনি ইন্সট্যান্টলি এক স্ক্রীন থেকে আরেকটিতে ট্রান্সফার হতে পারবেন। সাধারণত মাল্টিপল ডকুমেন্টে কাজ করার সময় এটি ইফেক্টিভ একটি ফিচার।
Ctrl + Shift + Click
কোন এ্যাপ্লিকেশানে এ্যাডমিনিস্ট্র্যাটিভ এ্যাকসেস পেতে চাইলে ঐ এ্যাপ্লিকেশান লঞ্চ করার সময় Ctrl + Shift চেপে এ্যাকটিভ করতে হবে।
Windows + Left এবং Windows + Right
উইন্ডোজ সেভেনের একটি চোখে পড়ার মত ফিচার আছে। এখানে মাউজ দিয়ে সিম্পলি বাম থেকে ডানে ড্র্যাগ করে উইন্ডো সাইজকে আপনার ডেস্কটপের অর্ধেকে নিয়ে আসতে পারবেন।
Alt + P
ফাইল প্রিভিউকে এ্যাকটিভ করতে এই কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়।
Windows + Up এবং Windows + Down
যে কোন উইন্ডো সাইজকে মাক্সিমাম করতে উইন্ডোজ এবং আপ কী চেপে ধরলে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে যাবে। আবার একই ভাবে উইন্ডোজ এবং ডাউন কী চাপলে উইন্ডোটি মিনিমাইজ হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, পুনরায় উইন্ডোজ এবং আপ কী চাপরে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে রিস্টোর হয় না।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০১৫

আপনি কি জিডি করা নিয়ে সম্যাসায় আছেন ? আর চিন্তা নাই এবার থেকে জিডি করুন অনলাইনে।

টিউন করেছেন : 
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন, আশাকরি ভালো আছেন। আজ বামি চেষ্টা করব আপনাদের সাথে জিডি নিয়ে আলোচনা করতে। শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরীতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল আটটায় ডায়েরী খুলে পরের দিন সকাল আটটায় বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ কার্যত এটি কখনই বন্ধ হয় না।
এই ডায়েরীতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন আসামী কোর্টে চালান দেয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
অনলাইনে কিভাবে জিডি করব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোন থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকেন। আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও তিনি জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রয়োজনবোধে তদন্ত করা, নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও জিডির বিষয়টি মামলাযোগ্য হলে পুলিশ মামলা করে থাকে। আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জিডি করা
থানার ডিউটি অফিসার জিডি নথিভুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি ডায়েরীতে জিডির নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। জিডির দুটি কপি করা হয়। একটি থানায় সংরক্ষণ করা হয় এবং অন্যটিতে জিডির নম্বর লিখে প্রয়োজনীয় সাক্ষর ও সীলমোহর দেয়া হয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।
অভিযোগকারী নিজে জিডি লিখতে পারেন, আবার প্রয়োজনে থানার কর্মকর্তাও লিখে দিয়ে থাকেন।
প্রতিটি জিডির বিপরীতে একটি নম্বর দেয়া হয়, ফলে কোন অবৈধ প্রক্রিয়া মাধ্যমে কেউ আগের তারিখ দেখিয়ে জিডি করতে পারেন না।
অনলাইন জিডি
আবার পুলিশের তাৎক্ষণিক সাড়া দেবার প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে যেমন পাসপোর্ট হারানো, বাখাটে বা মাদক সেবীদের সম্পর্কে তথ্য প্রদান বা এজাতীয় ক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করা যেতে পারেন বা সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স বা ই-মেইল করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে দেশের বাইরে থেকেও জিডি করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করার পর ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিডি নম্বরটি জিডিকারীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
অনলাইনে জিডি করার জন্য  http://www.police.gov.bd সাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’ –এ ক্লিক করতে হবে।
ই-মেইল: bangladesh@police.gov.bd.
ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৯৫৫৮৮১৮
হারানো বিষয়ের জিডি
মোবাইল ফোনের সিম, পরীক্ষার সার্টিফিকেট, জমির দলিল প্রভৃতি হারিয়ে গেলে ঐ সব কাগজপত্র পুনরায় তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হারানো সংবাদের জিডি চেয়ে থাকে, তাই ঐসব ক্ষেত্রে হারানো সংবাদের জিডি করে সেই জিডি নম্বরসহ কর্তৃপক্ষরে কাছে আবেদন করতে হয়।

একটি জিডির নমুনা দেখা যাক নিচে

বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
………. থানা
ঢাকা।
বিষয়: এসএসসি সার্টিফিকেট হারানো সংবাদ ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন।
মহোদয়,
আমি নিম্ন সাক্ষরকারী আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট আজ সকাল আনুমানিক ১১ টার সময় ঢাকা কলেজের পাশের রাস্তার একটি ফটোকপি করার দোকান থেকে হারিয়ে গেছে।
এমতাবস্থায় হারানোর বিষয়টি ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
সার্টিফিকেটের বিবরণ:
পরীক্ষার নাম…শিক্ষাবর্ষ…রেজিষ্ট্রেশন নং… রোল নং…
দাখিলকারী,
….
ঠিকানা…
ফোন…

বাংলাদেশ পুলিশের আরও কিছু সেবা সম্পর্কে জানুন

১। গাড়ি আটক হলে কী করবেন
ট্রাফিক আইন ভাঙাসহ বিভিন্ন কারণে পুলিশ গাড়ি আটক করে করে থাকে। গাড়ি আটক হলে অনেকেই ঘাবড়ে যান, মনে করেন গাড়ি ছাড়িয়ে আনা বেশ ঝামেলার কাজ। অনেকে আবার উৎকোচ দিয়ে কাল্পনিক ঝামেলার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন।
পুলিশ বিভিন্ন কারণে আপনার গাড়ি আটক করতে পারে, যেমন, সঠিক জায়গায় গাড়ি পার্ক না করা, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, চলতে গিয়ে পুলিশের নির্দেশনা না মানা, গাড়ির ফিটনেস সংক্রান্ত কাগজপত্র নবায়ন না করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন না করা ইত্যাদি।
গাড়ি আটক করার সময় পুলিশ একটি বা দু’টি কাগজ জব্দ করবে এবং আপনাকে একটি রশিদ দেবে। ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের চারটি জোন রয়েছে, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম। পুলিশের দেয়া রশিদের পেছনেই লেখা থাকবে কোন জোনের ট্রাফিক পুলিশ আপনার গাড়িটি আটক করলো। আপনাকে সেই জোনের অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে। রশিদের পেছনে জোন ভিত্তিক উপস্থিতির সময়ও লেখা থাকে। কাজেই সে অনুয়ায়ী গেলে আপনার সময় বাঁচবে। তবে অন্তত চার-পাঁচদিন পরে যাওয়াই ভালো, কারণ কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট অফিসে পৌঁছাতে সাধারণত তিন-চারদিন সময় লাগে।
কোথায়, কি অপরাধে জরিমানা করা হল, কে জরিমানা করলেন, কত তারিখের মধ্যে হাজির হতে হবে সব কিছুই লিখে দেয়া হয় রশিদটিতে। সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনার জরিমানা নির্ধারণের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করে থাকেন। এসব ক্ষেত্রে আপনি আপনার অনুকূলে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে পারেন। ডেপুটি কমিশনার পূর্ণ জরিমানার চার ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত জরিমানা নির্ধারন পারেন, এমনকি জরিমানা মওকুফও করে দিতে পারেন। তবে আপনার ড্রাইভারকে রশিদসহ পাঠিয়ে জরিমানা দিয়ে আসাটাই বেটার অপশন বলা যায়। জরিমানা দেবার জন্য ডেপুটি পুলিশ কমিশনার অফিস থেকে আরেকটি রশিদ দেয়া হবে আপনাকে।
বিভিন্ন অপরাধে জরিমানার হার জানতে ‘যানবাহনের মামলা’ প্রতিবেদনটি পড়তে পারেন।
তবে জরিমানা না দিলে বা যথাসময়ে হাজির না হলে অপরাধের ধরন, ঘটনাস্থল ইত্যাদির প্রতিবেদন সহকারে মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হবে ওয়ারেন্ট ইস্যু করার জন্য। এসব ক্ষেত্রে জরিমানা নির্ধারনের পর আপনি যদি মনে করেন আপনার ওপর অন্যায় করা হয়েছে তবে আদালতেও যেতে পারেন। সামান্য জরিমানার জন্য আদালতে গিয়ে আর্থিক বিচারে আপনার কোন ফায়দা হবে না, তবে রায় আপনার অনুকূলে গেলে সেটি আপনার জন্য একটি নৈতিক বিজয় হবে। বলাহুল্য এত ঝামেলা করে কেউ সাধারণত জরিমানা চ্যালেঞ্জ করতে আদালতে যায় না।
২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি
বিদেশে যাওয়া বা বিদেশে চাকুরির ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। পুলিশ ক্লিয়রেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধী নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই।
ঢাকার বাসিন্দাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হলে রমনায় অবস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। সকল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইংরেজী ভাষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে সত্যায়িত করে দেয়া হয়।
যোগাযোগ:
‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস’, রুম-১০৯,
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়াটার্স,
৩৬, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী, রমনা, ঢাকা।
হেল্পলাইনঃ- ০১১৯১০০৬৬৪৪, ০২-৭১২৪০০০, ৯৯৯-২৬৩৫
* সার্টিফিকেট সংগ্রহের পদ্ধতিগুলো এক নজরে দেখে নেই 
একটি সাদা কাগজে বাংলা বা ইংরেজীতে পুলিশ কমিশনার মহোদয় বরাবর আবেদন করতে হয়, সাথে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপি দিতে হয়। পাসপোর্টের যে সকল পৃষ্ঠায় প্রার্থী সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে যে সকল পৃষ্ঠা এবং যদি নবায়ন করা হয়ে থাকে তবে নাবায়নের পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্টের ফটোকপি দাখিল করতে হয়। কর্তৃপক্ষ চাইলে মূল পাসপোর্টও প্রদর্শন করতে হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট গৃহীত হয় না।
ঠিকানা সংক্রান্ত নিয়মাবলী:
  • পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই ঢাকা মহানগর এলাকার অভ্যন্তরে হতে হবে এবং অবশ্যই ঐ ঠিকানায় বসবাস করতে হবে। যদি পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা অথবা “থানা এলাকার” পরিবর্তন হয় তবে নিকটস্থ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঠিকানা সংশোধন করে পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে। প্রার্থীর দাখিলকৃত জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রে উল্লেখিত ঠিকানার সাথে প্রার্থীর বর্তমান বসবাসের ঠিকানার মিল থাকা জরুরি।
  • যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপিসহ তার পক্ষে আত্মীয়/অনুমোদিত ব্যক্তি আবেদন পত্র দাখিল করতে পারেন।
  • পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা যদি ঢাকা মহানগরীর বাইরে হয় তবে ঠিকানাটি যে জেলার অন্তর্গত সেই জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হয়।
সাথে যা যা প্রয়োজন:
  • বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় কোড নম্বর- (১-২২০১-০০০১-২৬৮১) এর অনুকূলে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালানের মূলকপি। ব্যাংক চালানের কোড নম্বর এর ঘরে কোন প্রকার ঘষামাজা / ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না এবং সঠিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল দেয়া হল কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম.আর.পি) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরুপ জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদ/ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রদত্ত সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হয়।
  • শুধুমাত্র “স্পেন” সংক্রান্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে তার আবেদনসহ উপরে উল্লেখিত কাগজপত্রের সাথে ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে “সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়” বরাবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা ০৩ এ দাখিল করতে হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা
আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর অফিস থেকে প্রাথমিকভাবে সিরিয়াল নম্বরসহ একটি টোকেন দেয়া হয়। টোকেনে একটি তারিখ উল্লেখ করা হয়। উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট থানায় টোকেনটি জমা দিতে হয়। এরপর থানার তরফ থেকে একটি তদন্তর্কায সম্পন্ন করা হয়। এই তদন্তের সাত (৭) কর্মদিবসের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া হয়।
বাংলাদেশে বসবাসরত/কর্মরত বিদেশী নাগরিক/বিদেশী পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণ উপরোক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিজে অথবা অনুমোদিত ব্যক্তি দ্বারা আবেদনপত্র দাখিল করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিকট আবেদনের নমুনা-

বরাবর,
পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
ঢাকা।
বিষয়ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে আবেদন করছি যে, আমি/ আমার……………………………………….বিদেশ যাওয়া/ স্থায়ীভাবে বসবাস করা/ ……………………………………………………………………………….. জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন। আমার…………………………………………………………………… পাসপোর্ট অনুযায়ী বৃত্তান্ত নিম্নরুপঃ-

নাম……………………………………………………………………………………..
পিতা/ স্বামী…………………………………………………………………………….
ঠিকানা…………………………………………………………………………
…………………………………………………………………………………
পাসপোর্ট নম্বর ……………………..ইস্যুর তারিখ ………………………………..
স্থান ………………………………………………….

অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন, আমি যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মর্জি হয়।

বিনীত নিবেদক
তারিখ………………..
………………………….
ফোন………………………

৩। হঠাৎ গ্রেফতার হলে কি করবেন ?
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে পুলিশ বিভিন্ন অভিযানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করে থাকে। তবে কোন অভিযোগ ছাড়া কাউকে অনির্দিষ্টকাল আটক করে রাখতে পারে না। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দিতে হয় বা কোন আইনের আওতায় তাকে গ্রেফতার দেখাতে হয় এবং কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনে আটকাদেশ দিতে পারেন।
পুলিশ গ্রেফতার করলে করণীয়:
  • পুলিশের নিকট নাম, ঠিকানা ও পেশাসহ পরিচয় তুলে ধরতে হবে।
  • পেশজীবি বা ছাত্র হলে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। একারণে সবসময় পরিচয়পত্র সাথে রাখা উচিত।
  • এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচিত আইনজীবির ফোন নম্বর সাথে রাখা যেতে পারে এবং গ্রেফতারের পর দ্রুত আইনজীবিকে বিষটি জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। অন্তত আত্নীয় বা বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
  • ঢাকায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নেয়া হয়, আর যে কোন থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় নেয়া হয়।
  • গ্রেফতারের পর কাউকে লকআপে রাখার আগে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র যেমন, কাগজ, মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি থাকলে তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সেগুলোর একটি তালিকা তৈরী করে আটককৃত ব্যক্তির সাক্ষর নেয়। এই সাক্ষর দেবার সময় তালিকাটি পড়ে নেয়া উচিত।
  • পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা পাঠ করে বা বিবৃতির ভাষ্য অবগত হয়ে তাতে স্বাক্ষর করা উচিত।
  • গ্রেফতারের পর আইনজীবী বা পরিবারের কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানাতে না পারলে আদালতে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাসরি বিষয়টি জানানো উচিত। এতে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
  • গ্রেফতারের পর কোন পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হলে বা অসুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে বা নিজ উদ্যোগে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে নিতে নেয়া যায়। চেকআপ করালে এ রিপোর্টটি সংগ্রহে রাখা উচিত। চেকআপকারী ডাক্তারের পরিচয় জেনে রাখা উচিত কারণ তা পরবর্তীতে প্রয়োজন হতে পারে।
  • পুরনো কোন মামলায় গ্রেফতার হলে দ্রুত ঐ মামলার নম্বরসহ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।
  • নতুন কোন মামলায় বা কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হলে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।
৪। অর্থ পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা 
বিভিন্ন সময়ে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন অনেকেই বড় অংকের টাকা নিয়ে যাতায়াতে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। সব সময় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করা সম্ভব না হওয়াতে ব্যক্তি পর্যায়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নগদ টাকা পরিবহন করতেই হয়।
বড় অংকের অর্থ আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন আপনি। যেদিন পুলিশী নিরাপত্তা প্রয়োজন হবে তার চার থেকে পাঁচ দিন আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর কবে এবং কোথায় বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন সেটা জানিয়ে আবেদন করতে পারেন, এজন্য আলাদা কোন মাশুল দিতে হবে না। আর দরখাস্ত করতে সশরীরে যেতে হবে রমনায় অবস্থিত পুলিশ কমিশনার অফিসে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এক্সচেঞ্জের(৯৯৯ নম্বরে) ২২২২, ২৩৩৩, ২৪৪৪, ২৬৬৬ এক্সটেনশন নম্বরে ডায়াল করে বিস্তারিত জানতে পারেন।
টিউনটা পরার জন্য ধন্যবাদ। ভা্লো লাগলে শেয়ার করবেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০১৫

আপনি কি ভিসা চেক করতে হলে কম্পিউটার দোকানে এ যান? তাহলে আজ থেকে আর যেতে হবে না!! ঘড়ে বসে চেক করতে পারবেন আপনার ভিসা ।

টিউন করেছেন :  
আসসালামু আলাইকুম !!
টেকটিউন্স লেখক ও পাটক রা, সবাই কেমন আছেন? আসা করি ভাল আছেন?
আমাদের সবার ই প্রায় বিদেশ থেকে ভিসা আসে? :mrgreen:  :twisted: কিন্তু সেটা চ্যাক করতে আমাদের কম্পিউটার দোকান এ গিয়ে টাকা খরচ করতে হয়!
কিন্তু আজ থেকে আর আপনাকে টাকা খরচ করতে হবে না!
আজ থেকে আপনার ভিসা আপনি নিজে চেক করতে পারবেন!
যারা জানেন না তাদের জন্য
আমি এখানে কয়  টা দেশের ভিসা চ্যক করার সাইট দিচ্ছি যা দ্বারা আপনি আপনার ভিসা চ্যাক করতে পারবেন

 কি ভাবে করবেন???

যে দেশের ভিসা চেক করতে চান সে দেশের সাইট এ ডুকেন, তারপর সার্চ বক্স এ আপনার ভিসা নাম্বার দেন!
তারপর পেয়ে যান আপনার ভিসার ডিটেলস! এবং সে খান থেকে চাইলে আপুনি প্রিন্ট ও করতে পারবেন!!
এই টিউন টা আগে কেয় করে থাকলে আমি দুক্ষিতঃ_
কোন সমস্যা হলে আমি আছি ফেইসবুক এ https://www.facebook.com/MR.masum.ahmed
আমার আর টিউন দেখতে পারেন, ভাল থাকবেন আপুনি! ভাল রাখবেন আপনার পাশের মানুষ গুলা কে !!
বিদায়

শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৪

টি-শার্ট ব্যবসা - কিভাবে শুরু করবেন আর কি কি করতে হবে?

By WebJockey-Mahabubur Rahaman Arman in চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব (Files)
আমার আগের ডক টার বরাত (https://www.facebook.com/groups/uddokta/doc/369719919774787/) দিয়ে বলতে চাই এই ব্যবসা এ নামতে হলে চোখ কাআন খোলা রাখবেন। ৩ ভাবে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। ভয় পাবেন না।

১. স্টক এর বানানো টিশার্ট কিনে তাতে প্রিন্ট করিয়েঃ 

এ ক্ষেত্রে যা করা হয় তা হল, সলিড বা এক রঙের টিশার্ট কিনে নেয়া হয় কম দামে। অল্প টাকায় অনেক পাওয়া যায়। তারপর একটা প্রিন্টিং কারখানায় নিয়ে গিয়ে তাতে প্রিন্ট বশিয়ে আয়রন আর প্যাকিং করে নিলেই তৈরী।

এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
*
সহজে প্রাপ্যতা
*
কম সময়ে পণ্য তৈরী
*
দাম কম হওয়াতে অনেক টিশার্ট কেনা যায়

এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
*
কাপড় মান সম্পন্ন হয় না
*
অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেলাই খরচ পোষাতে হয়।
*
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠে
*
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠে
*
রঙ জ্বলে যায়
*
সাইজ ট্যাগ ভুল থাকে

এই ক্ষেত্রে আমার মতামতঃ এই কাজ থেকে দূরে থাকুন। এই মানের পণ্য নিয়ে ব্রান্ডিং করা সম্ভব না। কাস্টমার ফিরে ও তাকাবে না ২য় বার।

২. টিশার্ট নিজে বানিয়ে তারপর প্রিন্ট করেঃ 

এক্ষেত্রে যা যা করতে হয় তা নিচে সঙ্কখেপে বরণনা দেয়া হলোঃ

*
একটা সুষ্ঠ পরিকল্পনাঃ প্রথমে দরকার একটি সুষ্ঠ পরিকল্পনা। এ সময় পারটনার থাকলে কাজ ভাগ করে নিন। কারন সামনে অনেকটা পথ যেতে হবে। একা পেরে নাও উঠতে পারেন। তো পরিকল্পনা যেনো সুদূরপ্রসারী হয়। অনেক হোচট খেতে হতে পারে। 

*
টার্গেট ফিক্স করে নেয়াঃ কাদের কাছে বিক্রি করবেন তার একটা টার্গেট লিস্ট বানান কাজে দিবে। কারন সবাই সব ডিজাইন পড়বে না। আর কত পিস বানাবেন সেটা ও ধারনা করে নিন। 

*
ভালো কিছু ডিজাইন বানানোঃ আকর্ষণীয় ডিজাইন নিয়ে কাজ করুন। মানুষ কিন্তু টিশার্ট একটা কারনেই কিনে থাকে আর তা হল ডিজাইন। ডিজাইন এর ব্যাপারে আমি আমার একটা নিয়ম ধরে হাটি, সেটি হল,
SICK =
S for Stylish,
I for Innovative,
C for Creative & Confident and
K for Knowledge.

*
ডায়িং ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ এটা করা খুব জরূরী প্রথমে বেশি খরচ করে হলেও একটা ডায়িং ফ্যাক্টরী কে হাত করতে হবে। আবার উনাদের গিয়ে বইলেন না যে এটা আমি বলে দিসি। না পেলে আমি আছি।

*
গারমেন্টস ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ সবচেয়ে কঠিন কাজ এটা। ছোটো কাজ গুলো গারমেন্টস ফ্যাক্টরী গুলা নিতে চায় না নিতে চাইলেও এমন ডিমান্ড করে যা পোষানো সম্ভব না! খুজে দেখুন হয়তো পেয়ে যাবেন। না পেলে এই অধম তো আছেই। ভ্রু কুচকাইয়েন নাহ।

*
ডিজাইন প্রিন্টিং এর ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ এটা একটু কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু এখন এতা খুবি সহজ। প্রথমবার যেমন করেই হোক রাজী হয়ে যান একটা পেলে। পরের বার না হয় বোঝাপরা করে নিলেন :)। এদের ডিজাইন গুলো দিয়ে দিন। এরা ডাইজ বানায় রাখবে কাজ এগিয়ে যাবে কিছু এডভান্স দিয়ে দিয়েন। আবারো ভ্রু কুচকালেন? ভাই আমি তো আছি এ নাকি? 

*
কাপড় কেনাঃ কি মানের কাপড় কিনবেন তা সম্পর্কে পূর্বে ধারনা থাকাটা বাঞ্ছনীয়। কাপড় সাধারনত কাপড় এর ঘনত্ব এর উপর ডিপেন্ড করে। কাপড় ও সেলাই ভালো দিতে হবে তাহলে ভালো রেসপন্স পাবেন। কাপড়ের মান যাচাই করে নিন আগে। কাপড়ের জিএসএম কত তা জেনে নিন। ১৬০ এর উপরের জিএসএম এর কাপড় আমার চোখে অনেক ভাল। তবুও আমি ১৮০ কেই প্রাধান্য দেই। শীতের পোষাক এর জন্য ২০০+ জি এস এম নিতে হবে। ভুলেও ইন্ট্যাক্ট কাপড় কিনবেন না যা আগে থেকেই রঙ করা থাকে। কাপড় নারায়ঙ্গঞ্জ এ কিনতে পাওয়া যায়। ২নং রেইল গেট এ ডান দিকে হাটতে থাকলে পাগল হয়ে যাবেন কাপড়েদ দোকান দেখতে দেখতে চাষাড়া এর। কিন্তু ভালো মানের গ্রে কাপড় টা কিনতে দেয়া ভালো হবে আপনার গার্মেন্টস কেই। কারন ওদের জি এস এম মেনশন করে দিলে ওরা ভালো কাপড় এনে দিবে। অনেক ক্ষেত্রে ওরা কমে ও এনে দিতে পারে। আর আপনি কিনতে গেলে আপনার গলা কাটবে এটা স্বাভাবিক। কারন আপনি নতুন। খারাপ দিয়ে দিলে কিছু করার নাই! তাই যার কাছ থেকেই কাপড় কিনবেন একটু ভাল সম্পর্ক হলে ভালো হবে। ক্ষতি হবে না। কারন কাপড়ের উপরের পার্শ্ব টাই আসল না! ভেতর টাই আসল। ছেড়া থাকতে পারে, গোলাকৃতির চাক্তির মত কাটা থাকতে পারে। ফাটা থাকতে পারে। আর গ্রে কাপড় টা যত টা পারবেন মাটিতে না রাখার চেষ্টা করবেন।

*
ডায়িং করানোঃ ডায়িং টা সবচেয়ে বেশি ঝামেলাকর। খুব সাব্ধানে করতে হবে। তাদের স্যাম্পল কালার দিয়ে আসবেন যাতে কালার এ হেরফের না হয়। একটু এদিক সেদিক হলেই কালার পালটে আরেকটা হয়ে যাবে। আর একবার রঙ হয়ে গেলে ঝামেলা। ডায়িং ফ্যাক্টরীতে কোন রঙের কত কেজি কাপড় হবে আর রঙ এর স্যাম্পল দিয়ে আসলেই ওরা করে দিবে যদি অদের আপনার কালার ক্যাপচারিং আইডিয়া থাকে। তবে আমি বল্বো বলে দিয়ে আসা টাই ভালো।

*
ডায়িং থেকে গারমেন্টস ফ্যাক্টরী তে কাপড় স্থানান্তরঃ ডায়িং ফ্যাক্টরী থেকে কাপড় ডায়িং শেষ হবার পর তা গারমেন্টস ফ্যাক্টরীতে পাঠাতে হবে।

*
কি কি সাইজ এর টিশার্ট বানাবেন তার ধারনাঃ গারমেন্টস ফ্যাক্টরীতে আপনার টিশার্ট এর মেজারমেন্ট চার্ট আর রেশিও দিয়ে আসতে হবে। সাইজ হিসেবে করতে পারেন S, M, L, XL মেজারমেন্ট এ থাকবে টিশার্ট এর মাপ কোন সাইজ কি মাপের হবে আর কি তাই, আর রেশিও তে থাকবে প্রতি ১২ পিস এ আপনি কত পিস S, M, L, XL সাইজের টিশার্ট করতে চাইছেন যেমন 2:4:4:2 = 12

*
কাপড় কাটানোঃ গারমেন্টস ফ্যাক্টরী থেকে আপনাকে আপনার মেজারমেন্ট অনুযায়ী কাপড় কেটে দেয়ার পর তা নিয়ে আসবেন কারন তা আপনার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী কে দিতে হবে প্রিন্ট করতে। 

*
প্রিন্টিং এ পাঠানোঃ এবার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী তে কোন ডিজাইন এর কতগুলো টিশার্ট হবে তা তাদের বুঝায় দিয়ে আসতে হবে। 

*
প্রিন্ট করানোঃ এবার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী তে কোন ডিজাইন গুলো প্রিন্ট করানোর সময় তাদের দিয়ে পারলে দাঁড়ায় থেকে প্রিন্ট করিয়ে নিবেন তারা যেদিন আপনাকে সময় দিবে। প্রতিটা চেক করে নিবেন আর দেখে নিবেন যাতে অবাঞ্ছিত কোনো দাগ না পরে।

*
প্রিন্ট থেকে এনে সেলাই এর জন্য তৈরী করাঃ প্রিন্ট করা শেষ হবার পর ভালোভাবে শুকানোর পর তা গারমেন্টস এ পৌঁছে দিন আবার। দেখেবেন যাতে কোনো টা কোনো টার সাথে না লেগে থাকে।

*
সেলাই করানোঃ এবার গারমেন্টস ফ্যাক্টরী কে দিয়ে নিখুত ভাবে সেলাই করিয়ে নিন। তাদের বলে দিন যে আপনার সেলাই এর ধরন কেমন হবে? আপনার ব্র্যান্ড লেবেল আর সাইজ লেবেল আপনি ই প্রোভাইড করুন। এটাই বেশি ভালো।

*
কাপড় আয়রন করানোঃ ভালোভাবে আয়রন করে নিন যাতে অতিরিক্ত কোনো ভাজ না পড়ে। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে ৫-১০ টা এক সাথে আয়রন না করে।

*
পলি প্যাক করানোঃ ভালো মানের পলি প্যাক এ প্যাকিং করুন। আকরষনীয় মোড়ক ও অনেক ক্ষেত্রে পণ্য বিক্রি তে সাহায্য করে। স্ট্যান্ডার্ড সাইজ এর পলি প্যাক ব্যবহার করুন। সিটি প্লাজা মারকেট এর নিছতলা তেই আকজন হুজুর বিক্রি করে অগুলা ভালোই যেগুলা স্টিকার লাগানো থাকে।

*
কারটন করানোঃ ভালো এবং পোক্ত মানের কারটন এ পলি করা টিশার্ট গুলো রাখতে হবে। আমার পরিচিত একজন আছে যিনি কারটন এ ব্র্যান্ডিং করে দিতে পারবে আর কারটন বানায় দিতে পারবে।

*
পরিবহনঃ সহজে ঊথানো নামানো যায় এমন ব্যবস্থা গ্রহন করুন। ঢাকার বাইরে পাঠাতে কুরিয়ার সারভিস ব্যবহার করুন। তবে খরচ যত কমাতে পারেন ততি মঙ্গল।

*
বিক্রয় শুরুঃ এবার দেদারসে টারগেটেড মানুষদের কাছে বিক্রি শুরু করুন।

এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
*
কাপড় মান সম্পন্ন হয়
*
গ্রাহক বৃদ্ধি পায়
*
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠবে না
*
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠে না
*
রঙ জ্বলে যায় না
*
সাইজ ট্যাগ ঠিক থাকে

এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
*
সময় সাপেক্ষ
*
ডায়িং ফ্যাক্টরী পাওয়া যায় না
*
গারমেন্টস ফ্যাক্টরী পাওয়া দুষ্কর
*
হাতের কাছে প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী পাওয়া যায় না
*
প্রিন্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে
*
বিক্রি না হবার ভয় থাকে

এই ক্ষেত্রে আমার মতামতঃ এই মানের পণ্য নিয়ে ব্রান্ডিং করা সম্ভব। কাস্টমার ফিরে ফিরে আসবে। প্রয়োজনে মাসে একটি মেলা করুন। যেভাবেই হোক করুন মার্কেটিং, প্ডিরাইজ না কমিয়ে ডিস্কাউন্ট দিন বিক্রি আবার না হয় কেমনে তখন দেখবো নে?

৩. ফুল মেড টিশার্ট কিনে 

এ ক্ষেত্রে যা করা হয় তা হল, টিশার্ট পুরাই রেডি থাকে। আপনি শুধু কিনবেন আর বিক্রি করবেন।

এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
*
সহজে প্রাপ্যতা
*
বহু ডিজাইন
*
দাম কম হওয়াতে অনেক টিশার্ট কেনা যায়

এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
*
কাপড় মান সম্পন্ন হতে নাও পারে
*
অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেলাই খরচ পোষাতে হতে পারে
*
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠতে পারে
*
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠতে
*
রঙ জ্বলে যেতে পারে
*
সাইজ ট্যাগ ভুল থাকতে পারে
*
এক সাথে অনেক কিনে রাখতে হয়

এই ক্ষেত্রে আমার মতামতঃ অনেক টাকা পয়সা না থাকলে এটা না করাই ভালো। এতাকে বলা হয় স্টকলট এর ব্যবসা। এই মানের পণ্য নিয়ে ব্রান্ডিং করা সম্ভব না। তবে ভালো আয় হবে।

৪. আমাকে সাহায্য করুনঃ 

কিভাবেঃ
*
আমার পন্যের বাজার সৃষ্টি করে দিন। ১-২ টা হলে আপনি শুধু কাস্টমার এর যোগাযোগ এর ঠিকানা দিয়ে দিবেন। আমরা যোগাযোগ করে নিবো, এর বেশি হলে মানে অর্ডার হলে কমপক্ষে ৫০+ পিস এর জন্য সব কিছু আপনাকে হ্যান্ডল করতে হবে। পন্য আনা নেয়ার ব্যাপারটা। আর ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ করবো আমরা।
*
অর্ডার যোগাড় করে দিতে হবে। না করতে পারলে কোনো জোড় জবরদস্তি নেই।
*
আমাদের মার্কেটিং করতে হবে।

আপনি কি পাবেনঃ
*
প্রতি ক্ষেত্রে কমিশন পাবেন।

ডকটি বানিয়েছি আমি সম্পূর্ণ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। সাহায্য লাগলে বলবেন আমাকে।

মাহাবুবুর রহমান আরমান (আরাজ রহমান) 
টি-জোন (পোশাক)
পূর্ব বাসাবো, ঢাকা-১২১৪
ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/arshadhin 
স্কাইপঃ arazmix
টুইটারঃ arazmix
ফোনঃ 01813854079, 01670724341
ই-মেইলঃ armantring@gmail.com
ব্র্যান্ড ফেইসবুক পেইজঃ https://www.facebook.com/TZONEBD